বিরাট চমক আসতে চলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'পরিণীতা'য়। কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছে রায়ানের পিসি পৌষালী তার জীবনসঙ্গী খুঁজে পেয়েছে। পারুল-রায়ানের অফিসের বস অনিরুদ্ধর সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তার। খুশির এই মুহূর্তে বাড়ির সবার মন উৎফুল্ল। এর মধ্যেই আরও এক নতুন প্রেম কাহিনি শুরু হতে চলেছে এই পরিবারে। প্রেমটা এবার দেখানো হবে পারুল-রায়ানের। তাঁদের জুটির রোম্যান্স দেখার জন্য কবে থেকে অপেক্ষায় দর্শক মহল। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে।
গল্পের নতুন মোড়ে দেখা যাবে রায়ানের বাবা বাড়ির সবাইকে নিয়ে ফন্দি আঁটে কীভাবে রায়ান ও পারুলের মিল করানো যায়। সে জানায় দু'জনকে হাওয়া বদলে পাঠাতেই হবে। মহাদেবীর মন্দিরে এক কাপালিক আছে, যে কিনা গভীর রাতে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায় ওই মন্দিরে। এরপরে স্বামী এসে যদি কাপালিককে জানায় যে সে স্ত্রীকে মন থেকে ভালবাসে তাহলে ছেড়ে দেয়। এর অন্যথা হলে স্ত্রীকে বলি দেয় সে। এটাই রায়ান-পারুলের জন্য মোক্ষম পরীক্ষা হবে ভেবেই বাড়ির সবাই তাদের ঘুরতে পাঠায়।
এদিকে প্রথা অনুযায়ী গভীর রাতে পারুলকে যেই তুলে আনে ওই কাপালিক, বলি দিতে যায় তখনই রায়ান চিৎকার করে জানায় যে সে পারুলকে খুব ভালবাসে। এই কথা আড়াল থেকে শুনে ফেলে শিরিন। সে কাপালিককে ইশারা করে, তাই রায়ানের কথা উপেক্ষা করে সে কোপ বসিয়ে দেয়! তাহলে পারুলকে কি সত্যিই মেরে ফেলবে শিরিন? রায়ানের চোখের সামনেই শেষ হয়ে যাবে তার ভালবাসা? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? প্রোমো দেখে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে দর্শক মহলে।
প্রসঙ্গত, গল্পে কিছুদিন আগে আঁচ দেওয়া হয়েছে যে এবার রুক্মিণীর জীবনে মনের মানুষ আসতে চলেছে। রায়ানের দিদি রুক্মিণী ওরফে রুকু। তার বিয়ে হয়েছিল পারুলের দাদা গোপালের সঙ্গে। কিন্তু ক'দিন আগেই গল্পে গোপালের মৃত্যু দেখানো হয়। রুকুর জীবনে হঠাৎ এই ধাক্কা যেন দর্শকের মনে এসেও লেগেছিল।
গোপাল মারা যেতে একাই ছিল রুকু। পরিবারের সবাই যতটা সম্ভব তাকে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করছিল। কিন্তু এই শোক কি ভোলা যায় সহজে? তাই রুকু মুখে কিছু না বললেও মন যে তার খারাপ, তা বোঝাই যেত। আনন্দ-অনুষ্ঠান থেকে নিজেকে মাঝেমধ্যেই আড়াল করে রাখত সে। তবে এবার তার জীবনে আসতে চলেছে নতুন কেউ। যে এসে রুকুকে ভালবাসার নতুন অধ্যায় শেখাবে। আবারও খুশিতে ভরে উঠবে রুকুর জীবন। ইতিমধ্যেই গল্পে দেখানো হয়েছে সেই নতুন চরিত্রের ঝলক। রুকুর মনের মানুষের চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে অভিনেতা অনিরুদ্ধ গুপ্তকে।
