জমে উঠেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'কুসুম'-এর গল্প। ইতিমধ্যেই মেঘার আসল রূপ সবার সামনে এসেছে। মেঘার সঙ্গে যে দেবলীনার যোগসূত্র রয়েছে তা এতদিনে পরিস্কার দর্শকের কাছে। কিন্তু মেঘাকে এখনও পর্যন্ত চিনতে পারেনি আয়ুষ্মানের পরিবার। তবে কুসুম তার আচরণ দেখে একটু একটু সন্দেহ করতে শুরু করেছে। এদিকে, মেঘার আসল লক্ষ্য কুসুম ও আয়ুষকে একসঙ্গে শেষ করে দেওয়া। তাই সে ছক কষতে থাকে।

 

ইন্দ্রাণী গাঙ্গুলির মন জয় সে করে ফেলেছে। বড়ছেলে আয়ুষের স্ত্রী হিসেবে ইন্দ্রাণী পছন্দ করেছেন মেঘাকে। আর সেই সুযোগেই আয়ুষের কাছাকাছি এসেছে মেঘা। সেটা কুসুমকে যেন আরও কষ্ট দিচ্ছে। কুসুমের এই মন খারাপ একটুও নজর এড়ায়নি মেঘার। সে বুঝতে পেরেছে কুসুম কিছু লুকাচ্ছে। তাই সে বন্ধুত্বের ছলনা করে কুসুমের সঙ্গে।

 

কুসুমকে একটা জুসে এমন কিছু মিশিয়ে খেতে দেয়, যেটা খেলেই তার নেশা হয়ে যায়। কুসুম নেশার ঘোরে মেঘাকে সে সব সত্যি বলে দেয়। কুসুম তার হাতের নোয়া দেখিয়ে মেঘাকে জানায়, এটা সে সারাক্ষণ পরে থাকে কারণ তার সঙ্গে আয়ুষ্মান গাঙ্গুলির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ব্যস! নেশার ঘোরে মেঘার কাছে নিজের সত্যিটা ফাঁস করে দিল কুসুম? কী হবে এবার? কুসুম ও আয়ুষকে ফাঁসাতে মেঘার পরিকল্পনা কি সফল হবে? ইন্দ্রাণী কি মেনে নেবে কুসুমকে? 

সদ্য প্রকাশ্যে আসা ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো দেখে এমনই প্রশ্ন ঘুরছে দর্শকের মনে। এদিকে, কুসুম তো আয়ুষ্মানের স্ত্রী হিসেবেই নিজেকে দেখে। যদিও আয়ুষ্মান এই বিয়েকে নিছক বিজ্ঞাপনের শুটিং হিসেবেই দেখে। তবুও মনে মনে নিজেকে আয়ুষ্মানের স্ত্রী হিসেবেই কল্পনা করে সে। আয়ুষ কুসুমকে ভাল বন্ধুর চোখে দেখলেও স্ত্রী হিসেবে কি গ্রহণ করবে? 

 


মেঘা জানায় ইন্দ্রাণীকে সে নিজের আইডল ভাবে। বাড়িতে এসেই তাই তার জন্য একটা ছবি এঁকে সে নিয়ে এসেছিল। কিন্তু সেই ছবির উপর কুসুম অসাবধানতাবশত চা ফেলে দিয়েছিল। এতে রেগে গিয়েছিল আয়ুষ্মানের কাকিমণি। সে কুসুমের উপর চড়াও হলে মেঘা সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল। সে বলেছিল, এতে কুসুমের কোনও দোষ নেই। 

 

মেঘার এই স্বভাব খুবই পছন্দ হয়েছিল ইন্দ্রাণীর। সে মনে মনে তখনই ঠিক করেছিল এরকম মেয়ে আয়ুষ্মানের পাশে খুব ভাল মানাবে। এই কথা শুনে কুসুম আঁতকে উঠেছিল। প্রথম থেকেই তাই মেঘাকে একটু এড়িয়ে চলে কুসুম। কিন্তু এবার এতদিন ধরে যে সত্যিটা কুসুম লুকিয়ে রেখেছিল সেটা মেঘার সামনে ফাঁস করে দিল সে? এবার কোন বিপদে পড়বে সে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।