ফের সর্বনাশের দিকে এগোচ্ছে কমলিনীর ভবিষ্যৎ। স্বতন্ত্রর সঙ্গে জীবনের টানাপোড়েনের মাঝেই তার জীবনে আসতে চলেছে এক বিরাট ঝড়। ইতিমধ্যেই গল্পে এন্ট্রি হয়েছে এক নতুন চরিত্রের। নতুনের কলেজে সে নিজেকে তার অনুরাগী বলে পরিচয় দেয়। ভোর জানায়, এতদিন ইমেল করত সে কিন্তু সেই ইমেলের জবাব না পেয়ে সরাসরি কলেজে চলে এসেছে। যদিও নতুন তাকে জানায় একজন মানুষ অন্যের অনুরাগী কেন হবে? বড়জোর কারওর জীবন থেকে তার আদর্শটা গ্রহণ করা যেতে পারে।
যদিও এই কথা মনে ধরে না ভোরের। সে কথায় কথায় বুঝিয়ে দেয় যে নতুনের প্রতি তার একটা ভাললাগা আছে। যদিও নতুনের দিক থেকে তেমন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় না। কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে যে এই চরিত্রটি স্বতন্ত্র ও কমলিনীর জীবনে বিরাট ঝড় তুলতে চলেছে। স্টার জলসার ধারাবাহিক 'চিরসখা'য় এই নতুন চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী পূজা বণিককে। একইসঙ্গে পূজাকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার 'কনে দেখা আলো'য়। গল্পের মোড়ে 'চিরসখা'য় এবার কোন বিপদ নিয়ে এলেন তিনি সেটাই এখন দেখার।
তাকে ঘিরে কমলিনীর মনে ইতিমধ্যেই অশান্তি শুরু হয়েছে। এদিকে স্বতন্ত্র সেটা বুঝতেও পেরেছে। তাই কমলিনীকে যেভাবেই হোক আগলে রাখার চেষ্টা করে সে। কলেজের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার শেষে স্বতন্ত্র কমলিনীর প্রতি তাঁর সমস্ত ভালবাসা উজাড় করে দেয়। কমলিনী দর্শক আসন থেকে সবটা শোনে। এদিকে, স্টেজে ভোর দাঁড়িয়ে একদৃষ্টে দেখে। সেটাও নজর এড়ায়নি কমলিনীর।
বাড়িতে ফিরে রাতের বেলায় স্বতন্ত্র, কমলিনীকে বলে, "আমরা তো আজকের প্রজন্মের নই, আমাদের কাছে ভালবাসা দিবস মানে একদিন নয়। রোজই ভালবাসা দিবস।" স্বতন্ত্রর কথায় সমর্থন জানায় কমলিনী। কিন্তু চোখেমুখে বিরক্তির ছাপ ফুটে ওঠে তার। কী নিয়ে মন খারাপ কমলিনীর? তা এখনও পর্যন্ত খোলসা করেনি সে স্বতন্ত্রর কাছে।
এদিকে, যেদিন ভোরকে বাড়িতে নিয়ে আসে স্বতন্ত্র সেদিন ভোরের কিছু কথায় অসন্তুষ্ট হয় কমলিনী। সে ভোরের কাছে জানতে চায়, লেখাপড়ায় স্বতন্ত্রকে আইডল যেমন ভাবে সে, তেমনই কি জীবনের আদর্শ পুরুষ হিসেবেও দেখে? ভোর যদিও সে কথার স্পষ্ট জবাব দেয় না। সে জানায় কলকাতায় আসার কারণই হল স্বতন্ত্র। ভোরের এই কথা শোনার পর থেকেই তাকে সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করে কমলিনী। কমলিনীর ভুল ধারণা কি ভাঙতে পারবে স্বতন্ত্র? কী হবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে?
