‘বিতর্ক’ আর ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। এই ইনফ্লুয়েন্সারের অধিকাংশ পোস্ট থেকেই শুরু হয় যেমন বিতর্ক তেমনই একাধিক মতের দরুণ ভাগ হয়ে যায় নেটপাড়া। যেমন গত বুধবার-ই নিজের প্রাক্তন বৌদি সুস্মিতা রায়কে শুভচ্ছা জানানোর পাশাপাশি খোঁচা দিতে ছাড়লেন না সায়ক। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সায়কের দাদা সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় অভিনেত্রীর। সেই সময় দম্পতির বিচ্ছেদ থেকে সায়কের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা, সবেতেই বারবার চর্চায় উঠে এসেছেন তিনি। 

গত বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে ২০১৮ সালে সুস্মিতার সাধের একটি পুরনো ছবি শেয়ার করেন সায়ক। শুভেচ্ছা জানানোর সঙ্গে তিনি লেখেন, "ভেবে ভাল লাগছে এই বরটাও আমারই খুঁজে দেওয়া । যদিও বর হবে জানতাম না । তবে এবার থামিস প্লিজ । এটাই যেন লাস্ট বিয়ে হয় । শুধু তাই নয়, সুস্মিতার মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়ার বিষয়টি খোঁচা দিয়ে সায়কের আরও সংযোজন, "এবার মা হলে আর নরমাল ডেলিভারির জন্য ওয়েট করিসনা। শুভেচ্ছা।" স্বভাবতই সায়কের এই পোস্টে সরগরম নেটপাড়া।  

এহেন আবহে এদিন আরও একটি পোস্ট করলেন সায়ক। সেই পোস্টে ট্রোলারদের একহাত নিলেন, যাঁরা তাঁর দাদার 'মিষ্টি' সম্পর্ক নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়ে চলেছে অনবরত। 


ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে তাঁর বক্তব্য পরিষ্কার। মিষ্টির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে যে নোংরা জল্পনা চলছে, সেটা তিনি একেবারেই বরদাস্ত করছেন না।তিনি বলেছেন, মিষ্টিকে তিনি অভিনয়ের শুরু থেকেই চেনেন, আর সম্পর্কটা একেবারেই পারিবারিক -বন্ধুর মতো, আর তাঁর দাদা সব্যসাচী চৌধুরী তাঁকে বোন হিসেবেই দেখেন। সায়ক কিন্তু এখানেই থামেননি। ট্রোলারদের একেবারে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন—
যারা এই ধরনের সম্পর্ক নিয়ে বিকৃত চিন্তা করছে, তারা আসলে নিজের মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। এমনকি কড়া ভাষায় কটাক্ষ করে বলেছেন, এই “ফ্যান্টাসি” নিজেদের পরিবারে গিয়ে ভাবতে! তাঁর বার্তার মূল কথা, সম্পর্কের মর্যাদা বোঝে যারা, তারা কখনও এই ধরনের কুৎসিত জল্পনা করে না।

এই পুরো ঘটনার মধ্যে দিয়ে একটা জিনিস স্পষ্ট—সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং যতই বাড়ুক, এবার সেলেবরাও আর চুপ করে থাকছেন না। সরাসরি জবাব দিচ্ছেন, তাও একেবারে কড়া ভাষায়। 

 


ফেসবুকের পাতায় সায়ক লিখলেন, “মিস্টি কে আমার অভিনয় জীবনের শুরু থেকে চিনি,
সম্পর্ক আমার বন্ধু আর আমার দাদার বোন।
কিছু জানোয়ার আর অমানুষ আছে যাদের হয়তো জীবনে বোন কে বিয়ে করার ইচ্ছে, তাই তারা আমার দাদা নামের পাশে মিষ্টি র নাম জুড়ে দিচ্ছে। 
বলছি এই ফ্যান্টাসি গুলো তোর তোদের বোনের সাথে কর!
আমরা সম্পর্কের মানে বুঝি তাই নিজের ভাবনা আমাদের উপর চাপাস না!"”
(পোস্টের বানান অপরিবর্তিত রাখা হল।)