টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?

অ্যাকশনে বিপত্তি সলমনের

বলিউডের পর্দায় 'ভাইজান'-এর অ্যাকশন দৃশ্য দেখে দর্শকরা হাততালি দিলেও, ক্যামেরার পিছনের গল্পটা সবসময় মসৃণ হয় না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা সলমন খান তাঁর কেরিয়ারের শুরুর দিকের দুটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে স্টান্ট করতে গিয়ে তাঁর জীবন প্রায় সংশয়ের মুখে পড়েছিল। প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল 'জাগ্রতি' ছবির শুটিংয়ের সময়। উদুপিতে প্রায় ৮০ ফুট উঁচু একটি পাহাড় থেকে সলমনকে লাফ দিতে হতো। নিচ থেকে বিষয়টা সহজ মনে হলেও, উপরে ওঠার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সলমন জানান, পাহাড়ের একটি অংশ বাড়তি খাঁজকাটা থাকায় ওপর থেকে নিচের সেফটি বক্সগুলো দেখাই যাচ্ছিল না। স্রেফ অনুমানের ওপর ভর করে তাঁকে লাফাতে হয়েছিল। আর লাফ দেওয়ার মুহূর্তে আলগা পাথরে তাঁর পা পিছলে যায়। কোনোমতে পাহাড়ের ধার ঘেঁষে নিচে পড়েন তিনি। অন্য দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল 'পাথর কে ফুল' ছবির সেটে। সেখানে স্কেটিং করতে করতে বক্সের ওপর দিয়ে লাফানোর একটি দৃশ্য ছিল। গতি বেশি থাকায় সলমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ক্যামেরার ঠিক পাশে একটি গর্তে আছাড় খান। পিঠে এতটাই জোরে আঘাত লেগেছিল যে, বেশ কিছুক্ষণ তিনি শ্বাস নিতে পারেননি।

'টক্সিক'-এর মুক্তি নিয়ে সপাট জবাব তারার

যশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক'-এর মুক্তি পিছিয়ে গিয়েছে। এর আগে মুক্তি ১৯ মার্চ থেকে পিছিয়ে ৪ জুন করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে যশ নিজেই নিশ্চিত করেন যে সিনেমাটি আবারও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন তারা সুতারিয়া। তারা জানান, ছবিটি দেরিতে মুক্তি পাওয়া নিয়ে তিনি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নন। এই মাপের একটি প্রজেক্টকে সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার পিছনে যে অনেক চিন্তাভাবনা ও সিদ্ধান্ত জড়িয়ে থাকে, তা তিনি বেশ ভালভাবেই বোঝেন। তিনি বলেন, “আমি ভীষণ ধৈর্যশীল। আমি বিষয়টিকে এভাবে দেখি না যে সিনেমাটি যদি এখনই মুক্তি না পায়, তাহলে আমার কী হবে? একজন অভিনেতা হিসেবে আপনি সিনেমাটিকে শুধু আপনার নিজের বলে ভাবতে পারেন না। এটি শুধু আপনার একার নয়। যারা এটি তৈরি করেছেন, সিনেমাটি তাদের সবার।”

কান-এ বেনারসিতে নজরকাড়া হুমা

কান চলচ্চিত্র উৎসব চলাকালীন গত শনিবার ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরায় ভারতীয় কারুশিল্পকে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরলেন অভিনেত্রী-প্রযোজক হুমা কুরেশি। সোনালি জরি কাজের একটি হালকা বেগুনি রঙের বেনারসি শাড়ি এবং ঐতিহ্যবাহী টেম্পল জুয়েলারিতে সেজেছিলেন তিনি। ফ্যাশনের ঊর্ধ্বে শাড়ি তাঁর কাছে কতটা গভীর অর্থ বহন করে, তা নিয়ে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “ভারতীয় নারীদের শাড়িতে দারুণ সুন্দর দেখায়। এটি একটি স্টেটমেন্ট। এটা আইকনিক এবং ভীষণ স্পেশাল। কান এমন একটি সুন্দর জায়গা যেখানে ফ্যাশন এবং সিনেমাকে তাদের সেরা রূপে উদ্‌যাপন করা হয়। ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরায় নিজের সংস্কৃতির একটা অংশকে নিয়ে আসতে পেরে দারুণ লাগছে। ভারতীয় গয়না এবং কারুশিল্প সত্যিই অতুলনীয়।”