নিন্দুকেরা বলছে, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে ভারী অভিমান হয়েছে রুদ্রনীল ঘোষের!
এও রটেছে, তিনি পদ্মফুল ছেড়ে ফের অন্যত্র ফোটার তোড়জোড়ে ব্যস্ত। বিজেপি ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি তিনি। তা হলে এবার তিনি কোন দলে? অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর শাণিত কলমের অনুরাগীও অসংখ্য। যতবার শাসকদলকে তীক্ষ্ণ বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন ততবার সেই কবিতা ভাইরাল। রুদ্রনীলের এহেন আচরণে মুষড়ে পড়েছেন সেই সব পাঠকরাও। আক্ষেপ, আর কি ওই কবিতা পড়া যাবে না! কারণ এও রটেছে, তিনি আবার শাসকদলেই ফিরছেন! কিছু জন এও বলতে ছাড়ছেন না, ‘দলবদলু’, ‘গিরগিটি’ সাধে বলা হয় রুদ্রনীলকে? নির্বাচনের আগে দলবদল নতুন কিছু নয়। ইতিমধ্যেই বহু নেতা, তারকা দলবদল করেছেন। রুদ্রনীলও তাঁদের দলে?
জানতে আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল বিজেপি রাজনীতিবিদের সঙ্গে। রুদ্রনীল বলেছেন, ‘‘শাসকদল আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে আমার সম্বন্ধে যা নয় তাই রটাচ্ছেন। কিচ্ছু বলার নেই। প্রার্থী হিসেবে ৩৮ জনের নামপ্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় আমি নেই। মনখারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। সেটাই হয়েছে। কারণ, দলের অনেকের সঙ্গে আমিও আশা করেছিলাম, টিকিট পাব। অভিমান হয়নি। এখানে ‘অভিমান’ শব্দটা অন্য ভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে। যার অর্থ দলবদল। টিকিট পাইনি বলে দল ছেড়ে দেব! টিকিট পাওয়ার আশা তো বিজেপিই জুগিয়েছে! ভবানীপুর কেন্দ্রে আমায় প্রার্থী করে। এত সামান্য কারণে কেউ দল ছাড়ে না।’’
তিনি দলের হয়ে প্রচণ্ড খাটাখাটনি করেন। সামাজিক মাধ্যমেও দলের হয়ে যথেষ্ট সরব। তারপরেও কেন টিকিট পেলেন না? জবাবে রুদ্রনীলের যুক্তি, ‘‘নিশ্চয়ই আমার মধ্যে কিছু খামতি আছে। সেটা এবার খুঁজব। আমার খামতি আমাকেই খুঁজে বের করতে হবে।’’ যাঁরা প্রার্থী হচ্ছেন তাঁদের আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। দাবি, নিশ্চয়ই ওঁদের সেই সব গুণ রয়েছে, তাই তাঁরা টিকিট পেয়েছেন। তবে মনখারাপের মধ্যেও পুরোপুরি আশা ছাড়তে নারাজ। এখনও চার জায়গার প্রার্থীঘোষণা বাকি। তাই তিনি একেবারে সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
প্রার্থী হিসেবে নাম থাকলে রুদ্রনীলের হোমটাস্ক কী হবে? নাম না থাকলে বাড়তি অনুশীলন কী?
রাজনীতিবিদ-অভিনেতার কথায়, ‘‘বাকি চার প্রার্থীর একজন হলে ঝট করে মনখারাপ সেরে যাবে। দ্বিগুণ উৎসাহে দলের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ব।’’ না পেলে মনখারাপের মেয়াদ হয়তো আরও দুদিন বাড়বে। কিন্তু সে সব ঝেড়ে ফের ফিনিক্স পাখি হবেন তিনি। আরও তীক্ষ্ণ হবেন। যাতে পরের লোকসভা নির্বাচনে দল তাঁকে প্রথম স্মরণ করেন। তারপরেই মুচকি হেসে আশ্বাস, প্রচারে অংশ নেবেন। কবিতাও লিখবেন আগের মতো। শাসকদলের বিরুদ্ধেই।
এও রটেছে, তিনি পদ্মফুল ছেড়ে ফের অন্যত্র ফোটার তোড়জোড়ে ব্যস্ত। বিজেপি ছেড়ে দিচ্ছেন নাকি তিনি। তা হলে এবার তিনি কোন দলে? অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর শাণিত কলমের অনুরাগীও অসংখ্য। যতবার শাসকদলকে তীক্ষ্ণ বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন ততবার সেই কবিতা ভাইরাল। রুদ্রনীলের এহেন আচরণে মুষড়ে পড়েছেন সেই সব পাঠকরাও। আক্ষেপ, আর কি ওই কবিতা পড়া যাবে না! কারণ এও রটেছে, তিনি আবার শাসকদলেই ফিরছেন! কিছু জন এও বলতে ছাড়ছেন না, ‘দলবদলু’, ‘গিরগিটি’ সাধে বলা হয় রুদ্রনীলকে? নির্বাচনের আগে দলবদল নতুন কিছু নয়। ইতিমধ্যেই বহু নেতা, তারকা দলবদল করেছেন। রুদ্রনীলও তাঁদের দলে?
জানতে আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল বিজেপি রাজনীতিবিদের সঙ্গে। রুদ্রনীল বলেছেন, ‘‘শাসকদল আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে আমার সম্বন্ধে যা নয় তাই রটাচ্ছেন। কিচ্ছু বলার নেই। প্রার্থী হিসেবে ৩৮ জনের নামপ্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় আমি নেই। মনখারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। সেটাই হয়েছে। কারণ, দলের অনেকের সঙ্গে আমিও আশা করেছিলাম, টিকিট পাব। অভিমান হয়নি। এখানে ‘অভিমান’ শব্দটা অন্য ভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে। যার অর্থ দলবদল। টিকিট পাইনি বলে দল ছেড়ে দেব! টিকিট পাওয়ার আশা তো বিজেপিই জুগিয়েছে! ভবানীপুর কেন্দ্রে আমায় প্রার্থী করে। এত সামান্য কারণে কেউ দল ছাড়ে না।’’
তিনি দলের হয়ে প্রচণ্ড খাটাখাটনি করেন। সামাজিক মাধ্যমেও দলের হয়ে যথেষ্ট সরব। তারপরেও কেন টিকিট পেলেন না? জবাবে রুদ্রনীলের যুক্তি, ‘‘নিশ্চয়ই আমার মধ্যে কিছু খামতি আছে। সেটা এবার খুঁজব। আমার খামতি আমাকেই খুঁজে বের করতে হবে।’’ যাঁরা প্রার্থী হচ্ছেন তাঁদের আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। দাবি, নিশ্চয়ই ওঁদের সেই সব গুণ রয়েছে, তাই তাঁরা টিকিট পেয়েছেন। তবে মনখারাপের মধ্যেও পুরোপুরি আশা ছাড়তে নারাজ। এখনও চার জায়গার প্রার্থীঘোষণা বাকি। তাই তিনি একেবারে সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
প্রার্থী হিসেবে নাম থাকলে রুদ্রনীলের হোমটাস্ক কী হবে? নাম না থাকলে বাড়তি অনুশীলন কী?
রাজনীতিবিদ-অভিনেতার কথায়, ‘‘বাকি চার প্রার্থীর একজন হলে ঝট করে মনখারাপ সেরে যাবে। দ্বিগুণ উৎসাহে দলের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ব।’’ না পেলে মনখারাপের মেয়াদ হয়তো আরও দুদিন বাড়বে। কিন্তু সে সব ঝেড়ে ফের ফিনিক্স পাখি হবেন তিনি। আরও তীক্ষ্ণ হবেন। যাতে পরের লোকসভা নির্বাচনে দল তাঁকে প্রথম স্মরণ করেন। তারপরেই মুচকি হেসে আশ্বাস, প্রচারে অংশ নেবেন। কবিতাও লিখবেন আগের মতো। শাসকদলের বিরুদ্ধেই।
