জীবনের প্রথম যা কিছু। তাই তো পয়লা! বৈশাখের পয়লা দিনে তারই স্মৃতিচারণে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত...
প্রথম কোনও কিছু কেউ ভুলতে পারেন? প্রথম স্কুলে যাওয়া। প্রথম গল্পের বই। কিংবা প্রথম প্রেম। সেই অনভূতি যেন বলে বোঝানোর নয়। আমার কথাই ধরুন। আমায় আপনারা চেনেন, ভালবাসেন অভিনয়ের কারণে। দেখতে দেখতে অভিনয় জীবনের ৩৫ বছর পূর্ণ। তবু পিছন ফিরলেই মনে পরে ১৯৮৯ সালের কথা।
ছোটপর্দা দিয়ে বিনোদন দুনিয়ায় হাতেখড়ি। ধারাবাহিক ‘শ্বেত কপোত’ আমার প্রথম কাজ। প্রথম ছবি প্রভাত রায়ের ‘শ্বেতপাথরের থালা’। পয়লা সুযোগেই ওঁর মতো পরিচালকের ছবিতে কাজ করেছিলাম। ভাবলে আজও গায়ে কাঁটা দেয়। তার উপর প্রথম ছবিই সুপারহিট। রাতারাতি জনপ্রিয়। তারপর প্রচুর ছবি সুপারহিট হয়েছে। সুবর্ণজয়ন্তী ছুঁয়েছে। সেই উন্মাদনা কিন্তু আর হয়নি।
একই অনুভূতি প্রথম প্রেম ঘিরেও। তার আগে পাড়ার ছেলেদের চোখে যে চোখ পড়েনি তেমন নয়। তবে ঠিকঠাক প্রেম আমার যিনি স্বামী সেই সঞ্জয় চক্রবর্তীর সঙ্গেই। আমি তখন টিনএজ। আঁকার ক্লাসে যাই। তেমনই এক কিশোরীবেলায় প্রেমে পড়েছিলাম সঞ্জয়ের। সেই বাঁধন অক্ষত আজও। ওকেই প্রথম চুমু খেয়েছিলাম। দিন ভেসে গিয়েছে হাওয়ার মতো। যে কোনও পয়লা আজও ভাললাগার আবেশে অবশ করে দেয়।
প্রথম কোনও কিছু কেউ ভুলতে পারেন? প্রথম স্কুলে যাওয়া। প্রথম গল্পের বই। কিংবা প্রথম প্রেম। সেই অনভূতি যেন বলে বোঝানোর নয়। আমার কথাই ধরুন। আমায় আপনারা চেনেন, ভালবাসেন অভিনয়ের কারণে। দেখতে দেখতে অভিনয় জীবনের ৩৫ বছর পূর্ণ। তবু পিছন ফিরলেই মনে পরে ১৯৮৯ সালের কথা।
ছোটপর্দা দিয়ে বিনোদন দুনিয়ায় হাতেখড়ি। ধারাবাহিক ‘শ্বেত কপোত’ আমার প্রথম কাজ। প্রথম ছবি প্রভাত রায়ের ‘শ্বেতপাথরের থালা’। পয়লা সুযোগেই ওঁর মতো পরিচালকের ছবিতে কাজ করেছিলাম। ভাবলে আজও গায়ে কাঁটা দেয়। তার উপর প্রথম ছবিই সুপারহিট। রাতারাতি জনপ্রিয়। তারপর প্রচুর ছবি সুপারহিট হয়েছে। সুবর্ণজয়ন্তী ছুঁয়েছে। সেই উন্মাদনা কিন্তু আর হয়নি।
একই অনুভূতি প্রথম প্রেম ঘিরেও। তার আগে পাড়ার ছেলেদের চোখে যে চোখ পড়েনি তেমন নয়। তবে ঠিকঠাক প্রেম আমার যিনি স্বামী সেই সঞ্জয় চক্রবর্তীর সঙ্গেই। আমি তখন টিনএজ। আঁকার ক্লাসে যাই। তেমনই এক কিশোরীবেলায় প্রেমে পড়েছিলাম সঞ্জয়ের। সেই বাঁধন অক্ষত আজও। ওকেই প্রথম চুমু খেয়েছিলাম। দিন ভেসে গিয়েছে হাওয়ার মতো। যে কোনও পয়লা আজও ভাললাগার আবেশে অবশ করে দেয়।
