টলিপাড়ায় এখন বিয়ের মরশুম। ১৪ ফেব্রুয়ারি সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। পর্দার জুটি এবার বাস্তবেও স্বামী স্ত্রী হতে চলেছে। বসন্তের একদম গোড়াতেই টলিউডে বাজতে চলেছে সানাইয়ের সুর। প্রেম দিবসের দিনই সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন শ্যামৌপ্তি মুদলি এবং রণজয় বিষ্ণু। এতদিন তাঁরা একে অন্যকে 'বন্ধু' হিসেবেই পরিচয় দিয়ে এসেছেন, ভ্যালেন্টাইন্স ডের দিন সেই সম্পর্কই 'বেটার হাফ'-এ প্রমোশন পাবে!
বিয়ের আর মাত্র হাতে গোনা ক'দিন বাকি। এর মধ্যেই আইবুড়োভাত খাওয়ার পর্ব শুরু করলেন জুটিতে। পরিচালক, অভিনেতা তথাগত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে আইবুড়োভাত খেলেন রণজয়-শ্যামৌপ্তি। সোমবার সমাজমাধ্যমে নিজেই সেই ছবি ভাগ করে নিলেন তথাগত। রণজয়-শ্যামৌপ্তির ছবির সঙ্গে লিখলেন, 'কোনো একদিন আধ বিকেলে খোকা-খুকীর আইবুড়ো ভাত....সাথে ফোটো-বম্ব স্পেশালিস্ট আইবুড়ি তরী।' (পোস্টের বানান অপরিবর্তিত রাখা হল।)
তথাগতর বাড়িতে এদিন রণজয়-শ্যামৌপ্তির জন্য আয়োজন হয়েছিল সব বাড়ির তৈরি খাবারের। ভাত, ডাল, আলুভাজা, তরকারি, স্যালাড আবার পাতে ছিল বিরিয়ানি ও মাটন কষাও। রণজয়-শ্যামৌপ্তি দু'জনেই আইবুড়োভাত খেলেন একেবারে ছিমছাম সাধারণ পোশাকেই। আসলে তথাগতর পরিচালনায় 'রাস'-এ দেখা গিয়েছিল রণজয়কে। সেই থেকেই তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরালো হয়েছে।
রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলি, দু'জনেই ছোট পর্দার অতি চেনা মুখ। তবে তাঁরা প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করেন 'গুড্ডি: ধারাবাহিকে। সেই থেকেই জনপ্রিয় হয় তাঁদের অনস্ক্রিন জুটি এবং রসায়ন। একই সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কও গড়ে উঠতে থাকে। যদিও তাঁরা কেউ জিজ্ঞেস করলে নিজেদের ভাল বন্ধু বলেই পরিচয় দিয়ে এসেছেন। কিন্তু সমাজমাধ্যমে করা পোস্ট দেখে তাঁদের অনুরাগীদের অনুমান ছিল, ব্যাপারটা কেবল বন্ধুত্বে সীমাবদ্ধ নেই। আর সেই জল্পনাতেই যেন এবার সিলমোহর পড়তে চলেছে। এবার প্রেম দিবসেই ছাদনাতলায় যাবেন তাঁরা। বাঁধা পড়বেন সাতপাকে।
বিয়ের গোছগাছের মাঝেই আজকাল ডট ইন-এর কাছে মধুচন্দ্রিমার প্ল্যান নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছিলেন শ্যামৌপ্তি। অভিনেত্রীর কথায়, "এখনও কিছু প্ল্যান করিনি। আমরা দু'জনেই পাহাড় ভালবাসি। মানে একটু ট্রেক করব, একটু অফবিট কোনও জায়গায় যাব, হোমস্টেতে থাকব। কিন্তু সেটা পুরোটাই নির্ভর করবে দু'জনের কাজের উপর, কারণ শেষ পর্যন্ত কাজের জন্যই এত আয়োজন, এত কিছু করতে পারছি। আর হানিমুন মানে দু'জন দু'জনের সঙ্গ উপভোগ করতে চাই, ফলে সেটা এমন যেন না হয় যে ১০ দিনের মধ্যে ঘুরতে হবে। একটু সময় নিয়ে ঘুরব। এটা ধীরে সুস্থে প্ল্যান করব।"
