টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?

'রামায়ণ'-এ রণবীরের ডাবল রোল

২০২৬ সালে বলিউডের অন্যতম আলোচিত ও প্রতীক্ষিত ছবি ‘রামায়ণ’। রণবীর কাপুর অভিনীত এই ছবিকে ঘিরে প্রথম থেকেই দর্শক মহলে উন্মাদনা তুঙ্গে। আর ছবিতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করবেন রণবীর। সম্প্রতি এবিষয়ে জানিয়েছেন তিনি। রামের চরিত্রে সঙ্গেই তাঁকে দেখা যাবে পরশুরামের চরিত্রেও। অর্থাৎ একই সিনেমায় তিনি শ্রীরাম এবং পরশুরাম-উভয় অবতারের রূপেই পর্দায় হাজির হবেন। রণবীর জানিয়েছেন, একই সঙ্গে দুটি ভিন্ন মেজাজের চরিত্রে অভিনয় করা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। পরশুরামের চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার জন্য তাঁর শরীরী ভাষা এবং কণ্ঠস্বরে বিশেষ বদল আনতে হয়েছে। পরশুরামের তেজ এবং ক্রোধের বিপরীতে শ্রীরামের শান্ত ও স্নিগ্ধ রূপ পর্দায় তুলে ধরতে ভিএফএক্স এবং মোশন ক্যাপচার প্রযুক্তিরও সাহায্য নেওয়া হয়েছে।

১৫০০ কোটির ক্লাবে 'ধুরন্ধর ২'

রণবীর সিং অভিনীত এবং আদিত্য ধর পরিচালিত স্পাই থ্রিলার 'ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ' বক্স অফিসে একের পর এক ইতিহাস গড়ছে। মুক্তির মাত্র ১৬ দিনেই এই ছবি বিশ্বজুড়ে আয়ের নিরিখে ১৫০০ কোটি টাকার মাইলফলক স্পর্শ করেছে। গতকাল তৃতীয় শুক্রবার অর্থাৎ ১৬তম দিন ভারতে এই ছবির আয় প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। এদিন ছবিটি ভারতের বাজারে ২১.৫৫ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। ফলে দেশীয় বাজারে ছবির মোট নেট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৯৫৯.৩৭ কোটি টাকা। আশা করা হচ্ছে, খুব দ্রুত এটি ভারতে ১০০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করবে। আন্তর্জাতিক বাজারেও রণবীরের জাদু অব্যাহত। ১৬ দিনে বিশ্বজুড়ে ছবির মোট গ্রস সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১৫২৩.৫৮ কোটি টাকা। ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এটি চতুর্থ ছবি যা এই অভিজাত তালিকায় নাম লেখাল। এর আগে দঙ্গল, বাহুবলী ২ এবং পুষ্পা ২ এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল। 

মদ্যপানের নেশায় মহিলাদের কুরুচিকর ফোন পীযূষ মিশ্রের

অভিনেতা, গায়ক এবং গীতিকার পীযূষ মিশ্র বরাবরই তাঁর ঠোঁটকাটা স্বভাবের জন্য পরিচিত। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের জীবনের এক অন্ধকার অধ্যায় নিয়ে কথা বলেন। অতিরিক্ত মদ্যপান এবং তার ভয়াবহ পরিণতির কথা সোজাসাপ্টা ভাষায় স্বীকার করেছেন। পীযূষ জানিয়েছেন, একটা সময় তিনি মারাত্মকভাবে মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। নেশার ঘোরে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতেন। তিনি স্বীকার করেন যে, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি অনেক মহিলাকে ফোন করে অশ্লীল কথাবার্তা বলতেন। সবচেয়ে ভয়ের বিষয় ছিল, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর রাতের সেইসব আচরণের কথা তাঁর আর কিছুই মনে থাকত না। এই অভ্যাসের কারণে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং সামাজিক সম্মান ধুলোয় মিশতে বসেছিল। তিনি বুঝতে পারছিলেন যে, মদ তাঁর মগজ এবং বিবেককে গ্রাস করে নিচ্ছে। বহু বছর ধরে তিনি এই সমস্যার সঙ্গে লড়াই করেছেন। এই আচরণ শুধু তাঁর একার নয়, তাঁর পরিবারের জন্যও চরম অসম্মানজনক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নিজের এই ভুলগুলো বুঝতে পারার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে এই পথ থেকে তাঁকে ফিরতেই হবে। ২০ বছর পর তিনি মদ্যপান পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার কঠিন সংকল্প নেন। তিনি জানান, বিপাশা বসুর বাবা তাঁকে এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছিলেন। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।