সঙ্গীতশিল্পী প্রাজ্ঞ দত্ত প্রকাশ করলেন তাঁর প্রথম ব্যারিটোন ইউকুলেলে অ্যালবাম ইন্টারসেকশন সেভেন (Intersection Seven)। সাতটি মৌলিক সুরসংযোজনে তৈরি এই অ্যালবাম। বিভিন্ন ঘরানার সঙ্গীতের মেলবন্ধন ঘটেছে 'ইন্টারসেকশন সেভেন'-এ, যেখানে প্রতিটি সুর যেন এক একটি গল্প। 

ইউকুলেলে পরিবারের তুলনামূলক আধুনিক সদস্য ব্যারিটোন ইউকুলেলে ১৯৪০-এর দশকের শেষদিকে জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রচলিত সোপ্রানো, কনসার্ট ও টেনর ইউকুলেলের উজ্জ্বল সুরের পাশাপাশি ব্যারিটোন ইউকুলেলে যুক্ত করে গভীরতা, উষ্ণতা এবং ক্লাসিক্যাল গিটারের মতো অনুরণন বা রেজোন্যান্স। বহুমাত্রিক সংগীত পরিবেশনের জন্য অনন্য বাদ্যযন্ত্র ব্যারিটোন ইউকুলেলে। 

বাদ্যযন্ত্রের বহুমুখী সম্ভাবনাকেই সুরসৃষ্টির মাধ্যমে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন প্রাজ্ঞ দত্ত। 'ইন্টারসেকশন সেভেন' অ্যালবামে রয়েছে সাতটি ভিন্নধারার কম্পোজিশন, যেখানে কখনও একটি নির্দিষ্ট ঘরানার পরিচয় স্পষ্ট হয়েছে, আবার কখনও একাধিক ধারার সংমিশ্রণে তৈরি হয়েছে নতুন সুরের মেজাজ৷ 

অ্যালবামের সাতটি কম্পোজিশন হল

১. প্রিলিউড টু প্রোজ — পাশ্চাত্য শাস্ত্রীয় সংগীত
২. ওলে — ফ্ল্যামেঙ্কো
৩. ফোকলোর — বিশ্ব লোকসংগীত
৪. বসাবল — বোসা / লাতিন
৫. দেবী — ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত
৬. অঁ গার্দ — জিপসি জ্যাজ
৭. ডেভিল’স ওন ব্লুজ — ব্লুজ / রুটস


ফ্ল্যামেঙ্কোর তীব্র আবেগ, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের ধ্যানমগ্নতা, লাতিন রিদমের প্রাণবন্ততা কিংবা ব্লুজের গভীর অনুভূতি, সবকিছুকে ব্যারিটোন ইউকুলেলের মাধ্যমে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন প্রাজ্ঞ দত্ত। ব্যারিটোন ইউকুলেলে শুধুমাত্র একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, বরং এটি হতে পারে নানা সংস্কৃতি ও নানা ঘরানার সঙ্গীতের মিলনস্থল, তার প্রমাণ প্রাজ্ঞ দত্তের 'ইন্টারসেকশন সেভেন'।