বাংলা ছবিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার অনেক আগেই শুরু হয়েছে। এআই এখন গ্রাস করেছে সমগ্র ইন্ডাস্ট্রিকেই। তার নজির এখন চোখে পড়ছে ধারাবাহিকের ক্ষেত্রেও। সান বাংলার ধারাবাহিক 'রূপমতী'তেও দেখা যাচ্ছে এআই-এর 'এফেক্ট'। এই ধারাবাহিক এগোচ্ছে রূপকথার গল্পকে কেন্দ্র করে। এই মেগায় বিভিন্ন চরিত্রের জন্য এআই-এর ব্যবহার হচ্ছে বলে খবর। 

ধারাবাহিকে 'বিষাণকেতু'র চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা প্রাজ্ঞ দত্তকে। এই গল্পে কখনও সে খোক্ষস, কখনও সে ব্ল্যাক প্যান্থার কখনও আবার অন্য কোনও চরিত্রে। এআই-এর দ্বারা কীভাবে তৈরি করা হয় তাঁর চরিত্রগুলোকে? আজকাল ডট ইন-এর পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল প্রাজ্ঞর কাছে। তিনি বলেন, "এই চরিত্রটি আসলে খুব মজার। চরিত্রের শেষ পজিশন হিসেবে এআই-এর এফেক্ট দেওয়া হয়। এতে আমাদের একটু বেশি বিচক্ষণ থাকতে হয় এই যা।" 

এআই-এর এফেক্ট তো এডিটে পড়ে। অভিনয়ের ক্ষেত্রে কীভাবে সেটা ফুটিয়ে তোলেন? প্রাজ্ঞর কথায়, "আমরা যখন যে চরিত্রে এআই ব্যবহার করি, তখন সেই চরিত্রের পজিশন অনুযায়ী বসি বা দাঁড়াই। তারপর এআই-এর এফেক্টে সেটা বদলে যায়।" 

প্রাজ্ঞর কথায়, "রূপকথার চরিত্ররা আমাদের কল্পনায় থাকে। এই চরিত্রদের পর্দায় ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন কাজ কিন্তু। দর্শকের চোখে বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে, এই ভাবনাটা থাকেই। তাই সচেতন হয়ে কাজ করতে হয়।" 

প্রসঙ্গত, ‘রূপমতী’তে প্রাজ্ঞর লুকও দেখার মতো। কেশহীন মাথায় গজিয়ে উঠেছে দু’টি শিং। মুখ ভর্তি দাড়ি, কাজল দিয়ে আঁকা মোটা ভুরু। চোখে প্রতিহিংসা। পরনে কালো পোশাক। বড় বড় কান। হাতের নখও কালো। যেন শৈশবে পড়া রূপকথার কোনও চরিত্র। যে শিশু মনে সহজেই ভয়ের সঞ্চার করত। শুধু ধারাবাহিকেই নয়, বড়পর্দাতেও দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন প্রাজ্ঞ।