আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন, ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...

রাঘব-পরিণীতির খুনসুটি

আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডার উদ্যোগে বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে খাবারের ব্যবস্থা চালু হওয়ায় বিষয়টি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে। কেন্দ্রের এই উদ্যোগে বিমানবন্দরে ‘উড়ান যাত্রী ক্যাফে’ চালু হয়েছে, যেখানে তুলনামূলকভাবে অনেক কম দামে চা ও জলখাবার পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার দম্পতি বিমানবন্দরে ২০ টাকায় শিঙাড়া ও ১০ টাকায় চা পাওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওয় ইনফ্লুয়েন্সাররা এই কম দামের জন্য রাঘবকে কৃতিত্ব দেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে রাঘবকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় বিষয়টি আরও নজর কেড়ে নেয়। সেই পোস্টে রাঘব নিজে মজার ছলে মন্তব্য করেন এবং পরে তাঁর স্ত্রী, অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়াও হালকা রসিকতায় ভরা প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি লেখেন, ‘আমি পুরোপুরি একমত’। তারকা-দম্পতির এই মজার মন্তব্য নেটিজেনদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।

প্রেমিক সলমনের অতীত 

অভিনেতা রাজু শ্রেষ্ঠ, যিনি ‘মাস্টার রাজু’ নামেই বেশি পরিচিত, সম্প্রতি সলমন খানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন। এক সাক্ষাৎকারে রাজু জানান, ছোটবেলা থেকেই সলমনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা। দু’জনেই একই এলাকায় বড় হয়েছেন এবং শৈশবে প্রায়ই একসঙ্গে সাইকেল চালাতেন বলে স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

সলমনের ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে রাজু তাঁর প্রশংসা করেন এবং বলেন, সলমনের মন খুবই পবিত্র। তবে একই সঙ্গে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে অভিনেতার কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। রাজুর কথায়, “সলমন কখনওই নিজের আবেগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। কখনও কখনও তিনি কারও বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে রাগের মাথায় গালিগালাজ করতেন। এমনকি এক সময় তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকার বাড়ির নিচেও দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কখনও কারও সঙ্গে মারধরেও জড়িয়েছেন। অর্থাৎ আবেগের উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ ছিল না।”

‘স্পিরিট’ ছাড়ছেন না প্রকাশ

সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘স্পিরিট’ এর কাস্টিংয়ে ইতিমধ্যেই বড় পরিবর্তন হয়েছে। প্রথমে প্রভাসের বিপরীতে অভিনয়ের কথা ছিল দীপিকা পাড়ুকোনের। তবে পরে তাঁর জায়গায় নেওয়া হয় তৃপ্তি দিমরিকে। এবার র নতুন করে জল্পনা শুরু হয়, অভিনেতা প্রকাশ রাজ নাকি সন্দীপের সঙ্গে সৃজনশীল মতপার্থক্যের কারণে ছবিটি ছেড়ে দিয়েছেন।

কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শুটিং চলাকালীন একটি নির্দিষ্ট দৃশ্যের উপস্থাপনা এবং চিত্রনাট্য নিয়ে প্রকাশ রাজ অসন্তুষ্ট ছিলেন। সেই বিষয়েই পরিচালক সন্দীপের সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি হয়, যার জেরেই তিনি নাকি ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ান।

তবে এই সমস্ত জল্পনাকে সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন প্রকাশ রাজ নিজেই। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে  অভিনেতা বলেন, “এগুলো সবই আজগুবি জল্পনা। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।” একই সঙ্গে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে তিনি এখনও ‘স্পিরিট ’ ছবির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। 
‘স্পিরিট’কে আগামী দিনের অন্যতম বড় ছবি হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই ছবির মাধ্যমেই প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করছেন সন্দীপ ও প্রভাস। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ছবির ফার্স্ট লুক দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি করেছিল। ছবিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন বিবেক ওবেরয়।

পঙ্কজের ‘মন কি বাত’

পঙ্কজ ত্রিপাঠী সম্প্রতি জানিয়েছেন, একটানা কাজ করতে করতে তাঁর মধ্যে একঘেয়েমি চলে এসেছিল বলেই তিনি অভিনয় থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা স্পষ্ট করেছেন, এখন তিনি শুধুমাত্র সেই সব কাজই করতে চান, যা তাঁকে সত্যিই আগ্রহ দেয় এবং শিল্পী হিসeবে তৃপ্তি দেয়। শুধু আর্থিক দায়িত্ব বা ইএমআই মেটানোর জন্য আর যে কোনও প্রজেক্টে সই করতে তিনি রাজি নন।

পঙ্কজ বলেন, “আমি একটার পর একটা প্রোজেক্টে কাজ করছিলাম। ধীরে ধীরে কাজের মধ্যে একঘেয়েমি আর ক্লান্তি ঢুকে পড়ে। অভিনয়ে আর আনন্দ পাচ্ছিলাম না। তখন বুঝলাম, একটু বিরতি খুব দরকার। এখন আমি অনেক বেশি বাছাই করে কাজ করি। এমন কাজের জন্যই বাড়ি থেকে বেরই, যা আমাকে উত্তেজিত করে। এখন আর যে কোনো প্রোজেক্ট পেলেই রাজি হই না।”
তিনি আরও যোগ করেন, “জীবনের এমন এক পর্যায়ে আমি পৌঁছেছি, যেখানে অভিনয় করি শুধু উত্তেজনা আর শিল্পীসত্তার তৃপ্তির জন্য। ইএমআই বা শুধুই টিকে থাকার জন্য কাজ করা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়। এই পথেই এগোতে চাই এবং দেখতে চাই, দীর্ঘমেয়াদে এটি আমার জন্য কতটা কার্যকর হয়।”