শহর কিংবা গ্রাম- আজকাল প্রায় সবার রান্নাঘরেই ফ্রিজ থাকে। অনেকেই বাড়িতে সিঙ্গল ডোর ফ্রিজ ব্যবহার করেন। কিন্তু এই ধরনের ফ্রিজে বেশ সমস্যা রয়েছে।
2
12
কয়েক দিন গেলেই ফ্রিজারে পাহাড়ের মতো বরফ জমতে শুরু করে। তবে এর সমাধান কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে ফ্রিজের ভেতরেই, একটি ছোট্ট 'ডিফ্রস্ট' বোতামের মধ্যে। নিয়মিত ফ্রিজ ডিফ্রস্ট করলে কী কী সুবিধা মিলবে?
3
12
ফ্রিজারে অতিরিক্ত বরফ জমলে সেটি একটি কুপরিবাহী স্তর তৈরি করে। ফলে ভেতরের তাপমাত্রা ঠান্ডা রাখতে ফ্রিজের কম্প্রেসর বা মোটরকে দ্বিগুণ খাটতে হয়। এতে বিদ্যুতের খরচ এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যায়।
4
12
নিয়মিত ডিফ্রস্ট বোতামটি টিপলে বরফ গলে জল হয়ে যায়, ফলে মোটরের ওপর চাপ কমে এবং মাসের শেষে বিদ্যুৎ বিল অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
5
12
দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিজারে বরফ জমতে দিলে তা সরাসরি মূল মোটরের ক্ষতি করে। অতিরিক্ত চাপের কারণে সময়ের আগেই মোটর বিকল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। নিয়ম মেনে ডিফ্রস্ট করলে ফ্রিজের আয়ু বহুগুণ বেড়ে যায়।
6
12
বরফ জমে থাকলে ফ্রিজের ঠান্ডা হাওয়া সব জায়গায় সমানভাবে পৌঁছাতে পারে না। বরফ পরিষ্কার থাকলে ঠান্ডা বাতাস পুরো ফ্রিজে সঠিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে শাকসবজি, ফল বা রান্না করা খাবার দীর্ঘক্ষণ একদম তরতাজা ও পুষ্টিকর থাকে।
7
12
ফ্রিজারে বরফ জমে থাকলে প্রয়োজনীয় জিনিস রাখার জায়গা কমে যায়। ডিফ্রস্ট করলে অপ্রয়োজনীয় বরফ গলে যায় এবং ফ্রিজারের ভেতরে অনেকটা ফাঁকা জায়গা বেরিয়ে আসে।
8
12
বরফ গলে পাইপ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ফ্রিজারের ভেতরের ধুলোবালি ও ময়লাও পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে সেখানে ব্যাকটেরিয়ার উপদ্রব হয় না এবং খাবার স্বাস্থ্যকর থাকে।
9
12
সিঙ্গল ডোর ফ্রিজ ভালো রাখতে সপ্তাহে অন্তত একবার অথবা বরফের স্তর এক চতুর্থাংশ ইঞ্চি পুরু হলেই ডিফ্রস্ট বোতামটি টিপুন।
10
12
ডিফ্রস্ট প্রক্রিয়া চলাকালীন ফ্রিজের দরজা বারবার খুলবেন না।
11
12
বরফ দ্রুত গলানোর জন্য ভুলেও কখনও ধারালো ছুরি বা চামচ দিয়ে খোঁচাতে যাবেন না। এতে ফ্রিজের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
12
12
এই সামান্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই আপনার বাড়ির ফ্রিজটি বছরের পর বছর নতুনের মতো সচল থাকবে।