ডেভিড ধাওয়ানের 'হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়' ছবিতে বরুণ ধাওয়ানের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মৌনী রায়। রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই ছবির কাস্টিং নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছিল ট্রোলিংয়ের বন্যা।
৪০ বছর বয়সী মৌনী এবং ৩৯ বছর বয়সী বরুণের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন! তা যেন খুব চোখে লেগেছে দর্শকের। বাস্তবে সমবয়সী হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের মা-ছেলের ভূমিকায় দেখে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। যদিও এই সমস্ত নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মৌনী জানান, ছবির ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, নির্মাতারা কীভাবে এমনটা করতে পারেন! কিন্তু মৌনী সাফ জানালেন, এসব অহেতুক সমালোচনা নিয়ে তিনি কখনওই মাথা ঘামাননি। তাঁর কথায়, "আমি কী করছি, সেটা আমি জানতাম। আমার পরিচালক এবং সহকর্মীরা আমার কাজে খুশি ছিলেন, সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।"
মৌনী জানান, শুরুতে কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবরা যখন তাঁকে এই চরিত্রের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তিনিও কিছুটা অবাক হয়েছিলেন। তবে ডেভিড ধাওয়ান ও ফারহাদ সামজির সঙ্গে চিত্রনাট্য নিয়ে আলোচনার পর তাঁর সমস্ত দ্বিধা কেটে যায়। তিনি বলেন, ডেভিড ধাওয়ানের সিনেমা মানেই তাঁর কাছে এক অদ্ভুত ভাল লাগার জায়গা। এটি একটি কমেডি ছবি ছিল এবং তিনি প্রথমবার কমেডি চরিত্রে কাজ করছিলেন, তাই এই সুযোগটি হাতছাড়া করতে চাননি।
বাস্তব জীবনে সমবয়সী হওয়া সত্ত্বেও কেন এই চরিত্রে অভিনয় করলেন, তাঁর জবাবে মৌনী জানান, ছবির গল্পে চরিত্রটি ছিল বরুণের নকল মায়ের। ট্রেলার মুক্তির আগে নির্মাতারা তাঁকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রেখেছিলেন, যা দর্শকদের মধ্যে এক ধরনের কৌতূহল তৈরি করেছিল। যদিও ছবিটি বক্স অফিসে খুব একটা সাফল্য পায়নি, তবুও নিজের চরিত্রটি নিয়ে মৌনী অত্যন্ত সন্তুষ্ট।
















