বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার এবং সায়রা বানুর প্রেমের গল্প রূপকথার মতোই। তবে এই সম্পর্কে এমন একটি সময় এসেছিল, যখন ব্যক্তিগত জীবনে তাঁদের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।

সায়রা বানুর সঙ্গে বিয়ের ১৬ বছর পর, ১৯৮১ সালে দিলীপ কুমার গোপনে আসমা নামের এক নারীকে বিয়ে করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে এই খবর বিনোদন জগতে রীতিমতো বোমা ফাটানোর মতো কাজ করেছিল। সবদিকে রটে যায় দিলীপ কুমারের এই কাণ্ড।

দিলীপ কুমার তাঁর আত্মজীবনী ‘দিলীপ কুমার: দ্য সাবস্ট্যান্স অ্যান্ড দ্য শ্যাডো’-তে এই ঘটনাটি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি স্বীকার করেছেন যে, সেই সময় মানসিক অস্থিরতা এবং ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই তিনি এমন এক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। 

তিনি লেখেন, “সেই সময়ের ভুলে ভরা সিদ্ধান্তের জন্য আমি আজও অনুতপ্ত। সায়রাকে আমি যে যন্ত্রণা দিয়েছিলাম, তার জন্য নিজেকে কখনওই ক্ষমা করতে পারব না।”

দিলীপ কুমারের ওই বিয়ে টেকেনি। কিছুদিন পরেই তিনি আসমার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে সায়রা বানুর কাছে ফিরে আসেন। সায়রা বানুও সমস্ত মান-অভিমান ভুলে স্বামীর পাশে এসে দাঁড়ান। পরবর্তীতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সায়রা বানুই তাঁর পাশে ছিলেন।

এই ঘটনাটি বহু বছর ধরে চর্চায় থাকলেও, দিলীপ কুমারের নিজের মুখে এই ভুল স্বীকার করাটা অনেককেই অবাক করেছিল। বর্তমানে নেটপাড়ার আলোচনায় উঠে এসেছে দিলীপ কুমার-সায়রা বানু ও তাঁদের জীবনে তৃতীয় ব্যক্তির কথা।