অস্কারের শূন্যস্থান পূরণ করার জন্য মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। একাধিক কোচের জীবনপঞ্জী এসেছে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে।
2
9
একাধিক কোচের মধ্যে দু'জন কোচের নাম ভাসছে লাল-হলুদে।
3
9
এই দু'জনই ভারতীয় ফুটবলে পুরনো এবং অভিজ্ঞ। ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে অভিজ্ঞতা রয়েছে।
4
9
দুই ব্যক্তিত্বই ভারতীয় ফুটবলে সফল। এই দু'জনের মধ্যে একজনের গল্প সংগ্রামের।
শৈশব থেকেই ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত তিনি। ক্রাটকি প্রায় এক দশক আগে অস্ট্রেলিয়ার হাইডেলবার্গ ইউনাইটেডে খেলতে খেলতেই পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানান। অবসরের আগেই তিনি চেক প্রজাতন্ত্রে থাকাকালীন উয়েফার কোচিং লাইসেন্স করেছিলেন। কোচিং কেরিয়ারে আরও ভাল সুযোগের সন্ধানে তিনি ইংরেজি শেখেন এবং পরে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে পাড়ি জমান।
5
9
নতুন দেশে শুরুটা তাঁর মোটেও সহজ ছিল না। ভাষাগত সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁকে বিভিন্ন কাজ করতে হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ''আমি প্রথমে প্লেট ও বাসন ধোয়ার কাজ করেছি। পরে ইংরেজি একটু ভাল হওয়ার পর ওয়েটার হিসেবে কাজ করেছি, এমনকি বারটেন্ডারের দায়িত্বও পালন করেছি।''
6
9
কঠিন সেই দিনগুলোকেই নিজের সাফল্যের ভিত্তি বলে মনে করেন তিনি। তাঁর কথায়, “কোচিং শুরু করেছিলাম সবচেয়ে ছোট বয়সীদের দিয়ে। ধীরে ধীরে বড় বয়সী দলের দায়িত্ব পেয়েছি। দীর্ঘ এই যাত্রা আমাকে সব ধরনের খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শিখিয়েছে। শিশু, কিশোর ও সিনিয়রদের মানসিকতা আলাদা। সব বয়সের খেলোয়াড়দের কোচিং করায় আজ মুম্বই সিটিতে বিভিন্ন বয়স ও মানসিকতার ফুটবলারদের সামলাতে সুবিধা হচ্ছে।''
7
9
ব্যক্তিগত জীবনেও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে তাঁকে। ২০২৪ সালের ৬ মে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ''তিন মাসেরও বেশি সময় আগে জানুয়ারিতে আমার বিয়ে হয়েছে। কিন্তু তারপর থেকে স্ত্রীর সঙ্গে মাত্র আট দিন সময় কাটানোর সুযোগ পেয়েছি। বিদেশে কাজ করতে গিয়ে পরিবারের থেকে দূরে থাকা কারও জন্যই সহজ নয়।''
8
9
তিনি পেত্র ক্রাটকি। মুম্বই সিটি এফসিকে তিনি এনে দিয়েছেন সাফল্য।
9
9
পেত্র ক্রাটকিও ইস্টবেঙ্গলের কোচ হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। সূত্রের খবর, আন্তোনিও লোপেজ হাবাস ও ক্রাটকির ইন্টারভিউ হয়ে গিয়েছে। এই দু'জনের মধ্যে একজনের হাতে উঠতে পারে ইস্টবেঙ্গলের রিমোট কন্ট্রোল।