পুজোয় ‘রক্তবীজ’-এর ‘সংযুক্তা মিত্র’ আর মিমি চক্রবর্তীকে মেলাতে যাবেন না। কোনও মিল নেই। অভিনেত্রীর একই অঙ্গে দুই রূপ। উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থার পুজোমুক্তি ছবিতে তিনি দাপুটে রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসার। হাতে পিস্তল, জিন্স-শার্টে শোভিতা! বাইকও চালিয়েছেন। কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুষ্টের দমন করেছেন। বাস্তবে? ষষ্ঠী থেকে দশমী আবাসনের পুজোয় দিনরাত এক করে দিয়েছেন! নবমীতে মিমি ময়ূরকণ্ঠী সিল্কে অপরূপা। শাড়ি সামলে ধুনুচি নাচের তালে জমিয়ে দিয়েছেন পুজো মণ্ডপ!
এবছরের পুজো মিমির। অনেক বছর পরে পুজোমুক্তি। স্বাভাবিক ভাবেই খুশি খুশি মন। চতুর্থী-পঞ্চমীতে পুজো উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রিমিয়ারে অংশ নিয়েছিলেন। তখনও তিনি শাড়ি-গয়নায় ঝলমলে। প্রতি বছরের মতো ষষ্ঠী থেকে পাড়ার পুজোয় নিবেদিতপ্রাণ। এমনটাই যে হবে সে কথা পুজোর অনেক আগে, ছবির প্রচার করতে গিয়ে আজকাল ডট ইনকে জানিয়েছিলেন। পর্দায় 'সংযুক্তা'র আফসোস, ‘‘এ বছরেও মনে হয় পুজোয় শাড়ি পরা হবে না।’’ নায়িকা যে পুজোয় শাড়ি ছাড়া আর কিচ্ছু পরবেন না, সেটাও আগাম ঘোষিত। ঠিক তেমনই সাজে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
ধুনুচি নাচের আগে দেবীকে ভক্তিভরে প্রণাম করেছেন। তারপর প্রতিবেশিদের সঙ্গে নাচে অংশ নিয়েছেন। হাতখোঁপায় আধফোটা গোলাপ। সিল্ক শাড়ির সঙ্গে সোনার গয়না। মিমির থেকে চোখ ফেরানো দায়! নিজে যেমন নেচেছেন তেমনি উৎসাহ দিয়েছেন প্রতিবেশি মহিলাদেরও। নাচের তালে হাত ঘুরিয়ে ধুনুচি দিতে দেবীর আরাধনার ভঙ্গিটিও দেখার মতোই। পরে তিনিই আবার অন্যদের হাতে তুলে দিয়েছেন নিজের ধুনুচি।
এবছরের পুজো মিমির। অনেক বছর পরে পুজোমুক্তি। স্বাভাবিক ভাবেই খুশি খুশি মন। চতুর্থী-পঞ্চমীতে পুজো উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রিমিয়ারে অংশ নিয়েছিলেন। তখনও তিনি শাড়ি-গয়নায় ঝলমলে। প্রতি বছরের মতো ষষ্ঠী থেকে পাড়ার পুজোয় নিবেদিতপ্রাণ। এমনটাই যে হবে সে কথা পুজোর অনেক আগে, ছবির প্রচার করতে গিয়ে আজকাল ডট ইনকে জানিয়েছিলেন। পর্দায় 'সংযুক্তা'র আফসোস, ‘‘এ বছরেও মনে হয় পুজোয় শাড়ি পরা হবে না।’’ নায়িকা যে পুজোয় শাড়ি ছাড়া আর কিচ্ছু পরবেন না, সেটাও আগাম ঘোষিত। ঠিক তেমনই সাজে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
ধুনুচি নাচের আগে দেবীকে ভক্তিভরে প্রণাম করেছেন। তারপর প্রতিবেশিদের সঙ্গে নাচে অংশ নিয়েছেন। হাতখোঁপায় আধফোটা গোলাপ। সিল্ক শাড়ির সঙ্গে সোনার গয়না। মিমির থেকে চোখ ফেরানো দায়! নিজে যেমন নেচেছেন তেমনি উৎসাহ দিয়েছেন প্রতিবেশি মহিলাদেরও। নাচের তালে হাত ঘুরিয়ে ধুনুচি দিতে দেবীর আরাধনার ভঙ্গিটিও দেখার মতোই। পরে তিনিই আবার অন্যদের হাতে তুলে দিয়েছেন নিজের ধুনুচি।
















