মধ্য প্রাচ্যে সঙ্কটের জেরে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহে টান পড়েছে। সমস্যায় দেশবাসী, বিশেষ করে অভিবাসী শ্রমিকরা। এবার তাদের স্বস্তি দিতে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর জন্য পাঁচ কেজির সিলিন্ডারের দৈনিক বরাদ্দ দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
2
6
পাঁচ কেজির এই 'ফ্রি ট্রেড এলপিজি সিলিন্ডার' (যা 'ছোটু' নামেও পরিচিত) মূলত শহুরে ও আধা-শহুরে এলাকার অভিবাসী শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে চালু করা হয়েছিল। সাধারণ গৃহস্থালি গ্যাস সংযোগ পেতে হলে গ্রাহকদের ঠিকানার প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়। অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য এই প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল ও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। ফলে বাধ্য হয়েই তাদের কালোবাজারিদের দ্বারস্থ হতে হয় এবং চড়া দামে রান্নার গ্যাস কিনতে হয়। সমাজের এই নির্দিষ্ট অংশের মানুষের চাহিদা মেটাতেই 'ছোটু' সিলিন্ডারটি চালু করা হয়েছিল।
3
6
এই পাঁচ কেজির এই সিলিন্ডার পেতে যেকোনও পরিচয়পত্রের প্রমাণ দেখিয়েই খুব সহজে কেনা যায়। এর সঙ্গে সিলিন্ডার ফেরৎ নেওয়ার বা 'বাইব্যাক' সুবিধাও রয়েছে।
4
6
চলতি বছরের ২ ও ৩ মার্চ তারিখে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য সরবরাহকৃত সিলিন্ডারের দৈনিক গড়ের ওপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলোর জন্য বর্ধিত এই বরাদ্দের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। গত ২১ মার্চ তারিখে জারি করা একটি নির্দেশিকায় সিলিন্ডার বরাদ্দের যে ২০ শতাংশের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল, এই বর্ধিত বরাদ্দ হবে সেই সীমার অতিরিক্ত।
5
6
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর উদ্দেশ্যে পাঠানো কেন্দ্রের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজ্য সরকারগুলোর জন্য অতিরিক্ত হিসেবে বরাদ্দকৃত পাঁচ কেজির এই সিলিন্ডারগুলো শুধুমাত্র অভিবাসী শ্রমিকদের সরবরাহের কাজেই ব্যবহার করতে হবে।
6
6
কেন্দ্রের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে, তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোর সহায়তায় এই সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল, অভিবাসী শ্রমিক এবং সমাজের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ ও পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষের জন্য রান্নার জ্বালানির পর্যাপ্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।