বিদ্যুতের বিল হঠাৎ বেড়ে গেলে আমরা অনেক সময়ই বুঝতে পারি না আসল কারণটা কী। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয়, বাড়ির ফ্রিজই অনেক সময় বিল বাড়ার বড় কারণ হতে পারে।
2
10
ফ্রিজ সারাক্ষণই চালু থাকে। কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে খুব সহজেই বিদ্যুৎ খরচ কমানো যায়।
3
10
প্রথমেই তাপমাত্রার দিকে নজর দিন। অনেকেই ফ্রিজ খুব বেশি ঠান্ডা করে রাখেন, ভেবে যে এতে খাবার বেশি দিন ভালো থাকবে। কিন্তু এতে উল্টো বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়। ফ্রিজের জন্য ৩–৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যথেষ্ট, আর ডিপ ফ্রিজ -১৮ ডিগ্রির আশেপাশে রাখলেই ঠিক থাকে।
4
10
ফ্রিজের দরজা বারবার খোলা বন্ধ করার অভ্যাস কমাতে হবে। যখনই দরজা খোলা হয়, ভেতরের ঠান্ডা হাওয়া বেরিয়ে যায়। তখন আবার ঠান্ডা করতে ফ্রিজকে বেশি কাজ করতে হয়, ফলে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই দরজা খোলার আগে কী দরকার ঠিক করে নিন।
5
10
ফ্রিজের দরজার রাবার (গ্যাসকেট) ঠিক আছে কি না দেখুন। যদি সেটি ঢিলা বা ছিঁড়ে যায়, তাহলে ঠান্ডা বাতাস বাইরে বেরিয়ে যায়। এতে ফ্রিজকে বেশি সময় চালু থাকতে হয়, আর তাতেই বাড়ে বিল।
6
10
ফ্রিজকে দেওয়ালের সঙ্গে একেবারে ঠেসে রাখবেন না। একটু ফাঁকা জায়গা রাখলে ফ্রিজের গরম বাতাস বেরোতে পারে। না হলে মেশিন বেশি গরম হয় এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে।
7
10
অনেকদিন পরিষ্কার না করলে ফ্রিজের ভেতরে বরফ জমে যায়। এই বরফ জমে গেলে কুলিং ঠিকমতো হয় না। তাই সময়ে সময়ে ডিফ্রস্ট করা খুব জরুরি
8
10
ফ্রিজের পেছনে থাকা কয়েল (কনডেনসার) পরিষ্কার রাখা দরকার। এতে ধুলো জমে গেলে ফ্রিজ ঠিকমতো ঠান্ডা করতে পারে না এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। বছরে অন্তত এক-দুবার এটি পরিষ্কার করুন।
9
10
খুব গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না। এতে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, আর ঠান্ডা করতে বেশি শক্তি লাগে।
10
10
এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো বদলালেই আপনি সহজেই বিদ্যুতের বিল কমাতে পারবেন। একটু সচেতন হলেই মাসের শেষে ভালই সাশ্রয় হবে।