আজ সোমবার, ৬ এপ্রিল, বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতার মাঝেও সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এল ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম।
2
8
মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনা আর হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ব্যবস্থা যখন টালমাটাল, তখন ভারতের বাজারে ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
3
8
তবে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি থাকলেও ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া হয়েছে। ১লা এপ্রিল থেকে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম প্রায় ২০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যার আগে মার্চ মাসেও এক দফায় ১৪৪ টাকা বেড়েছিল। এর ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র শিল্পের উৎপাদন খরচ এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গেছে।
4
8
জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যে কাজ করছে বিশ্ব রাজনীতির এক জটিল সমীকরণ। বিশেষ করে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মাঝে অবস্থিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ নিয়ে টানাপোড়েন এখন তুঙ্গে। ইরান এই পথে চলাচলের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে এবং নতুন টোল ব্যবস্থা চালু করেছে।
5
8
হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ফলেই বিশ্বজুড়ে এলপিজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। গত কয়েক দিনে কয়েকটি বড় মালবাহী জাহাজ ও তেল ট্যাঙ্কার ওই অঞ্চল ত্যাগ করেছে, যার মধ্যে কিছু জাহাজ ইরান থেকে খাদ্যশস্য বহন করছিল। এমন অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের বড় শহরগুলোতে গ্যাসের দামের পার্থক্যও নজরকাড়া।
6
8
বর্তমানে দিল্লিতে একটি ১৪.২ কেজির ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ৯১৩ টাকা হলেও পাটনাতে তা ১,০০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
7
8
অন্যদিকে কলকাতায় ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ৯৩৯ টাকা এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ২,২০৮.৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
8
8
চেন্নাই ও হায়দ্রাবাদেও বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে আপাতত নতুন করে দাম না বাড়লেও, বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়তে থাকায় পরোক্ষভাবে খাবার ও অন্যান্য পরিষেবার দাম বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।