পরিচালক আদিত্য ধরের নতুন ব্লকবাস্টার ছবি 'ধুরন্ধর ২' বক্স অফিসে সাফল্যের নতুন ইতিহাস লিখলেও, ছবিটিকে ঘিরে দানা বেঁধেছে এক চরম বিতর্ক। রণবীর সিং অভিনীত এই ছবি ইতিমধ্যেই ১০০০ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই বিপুল আয়ের মাঝেই করাচির লিয়ারি এলাকার বাসিন্দারা নির্মাতাদের কাছে ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

সম্প্রতি, সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দারা 'ধুরন্ধর ২'-এর সাফল্যে মুখ খুলেছেন। তাঁদের মতে, "যদি ১০০০ কোটি টাকা আয় করেন , তাহলে অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন। যদি আপনাদের আয়ের অর্ধেকও দেন, তাহলে এখানকার রাস্তাগুলো তৈরি হয়ে যাবে। বাচ্চারা এগুলোর উপর দিয়ে হাঁটলে পায়ে ফোস্কা পড়ে যায়।"

ঘটনার সূত্রপাত ছবির চিত্রনাট্য ও চিত্রায়ণ নিয়ে। লিয়ারি এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছবিটিতে তাঁদের এলাকা এবং সেখানকার সংস্কৃতিকে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, 'ধুরন্ধর ২' ছবিতে লিয়ারিকে অপরাধের মূল কেন্দ্র এবং সন্ত্রাসবাদের আখড়া হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চরম অপমানজনক প্রভাব ফেলেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি বাণিজ্যিক ছবি নিজের মুনাফার জন্য একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে না। ছবির ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই ক্ষোভ দানা বাঁধছিল, কিন্তু সিনেমাটি ১০০০ কোটি টাকার ব্যবসা করার পরেই আরও শোরগোল বাঁধে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মুম্বইয়ের একটি জনপ্রিয় ধোসার দোকানে রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোনকে দেখা গেল একান্ত সময় কাটাতে। উপলক্ষ? রণবীরের সাম্প্রতিক ছবি 'ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ'-এর অভাবনীয় সাফল্য। ছবিটি বক্স অফিসে ১০০০ কোটি টাকার ক্লাবে পৌঁছতেই পার্টি মুডে তাঁরা। এই গ্ল্যামার দুনিয়ার চাকচিক্য দূরে সরিয়ে রেখে দীপিকা ও রণবীর বেছে নিলেন সাধারণ মানুষের মতো পথচলতি একটি খাবারের দোকান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, রণবীর ও দীপিকা অত্যন্ত ক্যাজুয়াল পোশাকে রয়েছেন। কিছুদিন আগেই গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে দীপিকা পাড়ুকোন নাকি 'ধুরন্ধর ২'-এর সাফল্য থেকে সরে রয়েছেন। তিনি কোনও পোস্ট করেননি এই ছবি নিয়ে বা রণবীরকে শুভেচ্ছা জানাননি বলে দীপিকাকে দুষেছিলেন অনেকে। তবে এই 'ধোসা পার্টি'-ই প্রমাণ করল রণবীরের পাশে দীপিকা সব সময় আছেন।