বরুণ ধাওয়ানের পাশে দাঁড়ালেন করণ জোহর। ‘বর্ডার ২’ ছবিতে বরুণের অভিব্যক্তি, বিশেষ করে তাঁর মুখ বাঁকানো হাসি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের ঝড় ওঠে। ট্রেলার ও গান প্রকাশের পর একাংশ নেটিজেন বরুণের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

তবে শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার পর ছবির ভাগ্য যে অন্য দিকে মোড় নিচ্ছে, তা স্পষ্ট। দর্শকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া, হাউসফুল শো এবং উৎসাহব্যঞ্জক প্রাথমিক রিভিউয়ের মধ্যেই ট্রোলিং সংস্কৃতি নিয়ে মুখ খুললেন করণ।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে করণ সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক মনোভাব ও ক্লিকবেট সংস্কৃতির সমালোচনা করে লেখেন, “এ কারণেই একে ভার্চুয়াল দুনিয়া বলা হয়। বাস্তব সব সময় জিতে যায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ার হইচইকে অর্থহীন প্রমাণ করে।” বরুণকে ঘিরে কটাক্ষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও লেখেন, ‘একজন শিল্পীর হাসি নিয়ে ট্রোল করা যায়, কিন্তু ছবি মুক্তির পর যখন প্রেক্ষাগৃহ ভরে যায় এবং সে দর্শকের খাঁটি ভালোবাসা পায়, তখন শিল্পীই শেষ পর্যন্ত হাসে।’

সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচক ও কনটেন্ট নির্মাতাদের উদ্দেশ্যে খোঁচা দিয়ে করণ লেখেন, ‘ক্লিকবেট আর হইচইয়ের পিছনে যারা ছোটে, তারা যা খুশি করতে পারে। সত্যি শেষ পর্যন্ত নিজের জায়গা করে নেয়।’
করণ যদিও তাঁর পোস্টে সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে ছবির মুক্তির সময় ও পোস্টের প্রেক্ষাপট দেখে নেটিজেনদের বড় অংশের ধারণা, এই বার্তা বরুণকে সমর্থন করেই দেওয়া। এর মধ্যেই ‘বর্ডার ২’এ বরুণের অভিনয় দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসা কুড়োচ্ছে। অনেকেই পর্দায় তাঁর উপস্থিতি ও আবেগঘন অভিনয়কে ছবির অন্যতম শক্তি হিসাবে উল্লেখ করছেন।

অনুরাগ সিং পরিচালিত ‘বর্ডার ২ ’ ছবিতে সানি দেওল, বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্জ, মোনা সিং, সোনম বাজওয়া ও আহান শেট্টি-সহ একাধিক তারকা রয়েছেন। মুক্তির আগেই ছবিটি ঘিরে ব্যাপক চর্চা তৈরি হয়েছিল।

মঙ্গলবার মুম্বইয়ে ‘বর্ডার ২’-এর ‘ব্রেভস অব দ্য সয়েল’ ট্রিবিউট ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে সহ-অভিনেতা আহান শেট্টি ও ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে হাজির ছিলেন বরুণ। সেখানেই বরুণকে প্রশ্ন করা হয়, ট্রোল ও মিম নিয়ে তাঁর অনুভূতি কী। জবাবে বরুণ বলেন, তিনি এই সব ‘হইচই’কে উপেক্ষা করতেই শিখেছেন। তাঁর কথায়, “আমার বিশ্বাস, এসব আওয়াজ বন্ধ করে নিজের কাজকে কথা বলতে দিতে হয়। এই ধরনের জিনিস চলতেই থাকে। তাতে বিশেষ কিছু যায় আসে না। আমি এসবের জন্য কাজ করি না। আমি যেটার জন্য কাজ করি, সেটা এই শুক্রবারেই বোঝা যাবে।”