দেশজুড়ে ইতিমধ্যে বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক—দুই ধরনের LPG সিলিন্ডারের দামই বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে সাধারণ পরিবার থেকে শুরু করে হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
2
11
তেল বিপণন সংস্থাগুলি নতুন দামের ঘোষণা করেছে। সেই অনুযায়ী, ১৪.২ কেজির গৃহস্থালি LPG সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ১৪৪ টাকা। দেশের বিভিন্ন শহর ও রাজ্যে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
3
11
ভারতে রান্নার গ্যাস সরবরাহ ও দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি যেমন ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়াম। এই সংস্থাগুলিই আন্তর্জাতিক বাজার, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং পরিবহন ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে দাম সংশোধন করে।
4
11
ভারত তার মোট LPG চাহিদার বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে সামান্য ব্যাঘাত ঘটলেই দেশের বাজারে তার প্রভাব পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে LPG আমদানিতে বিলম্ব এবং পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।
5
11
এর প্রভাব ইতিমধ্যেই বিভিন্ন শহরের রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানে পড়তে শুরু করেছে। অনেক জায়গায় গ্যাসের ঘাটতির কারণে রান্নার কাজে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিকল্প রান্নার ব্যবস্থা খুঁজতে বাধ্য হয়েছে।
6
11
এছাড়া ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গ্যাসের দাম এক নয়। স্থানীয় বিক্রয় কর বা ভ্যাটের কারণে রাজ্যভেদে দাম পরিবর্তিত হয়। নতুন দামের পর দেশের কয়েকটি বড় শহরে গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক LPG সিলিন্ডারের দাম নিম্নরূপ—
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে LPG-এর দাম আরও বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষ এবং ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেকেই গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী পদ্ধতি অনুসরণ করার পাশাপাশি বিকল্প রান্নার ব্যবস্থার কথাও ভাবতে শুরু করেছেন।