গত ৪ মে গদি উল্টে বাংলায় সরকার গঠন করল বিজেপি। বঙ্গ বসেছে পদ্মাসনে। ৯ মে ব্রিগ্রেড গ্রাউন্ডে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইতিমধ্যেই শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে আরও একাধিক টলিউড অভিনেতা অভিনেত্রী, শিল্পীদের সঙ্গে হাজির ছিলেন জিৎ। তারপরই এদিন, রবিবার দুপুরে একটি ইঙ্গিতবহ বার্তা পোস্ট করলেন সমাজমাধ্যমে।
এদিন জিৎ তাঁর ইনস্টাগ্রামের পোস্টে লেখেন, 'এই জিৎ, এই বিজয় ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য এক অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। এটা শুধু একটা রাজনৈতিক জয় নয়। মানুষের প্রতি এক বড় অঙ্গীকার।'
এরপরই জিৎ তাঁর পোস্টে কারও নাম উল্লেখ না করে লেখেন, 'পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি ভূমি, যা সম্পদ, প্রতিভা, সংস্কৃতি এবং অসংখ্য মানুষের অবদানে সমৃদ্ধ। এই মাটির মানুষ তাঁদের মেধা, পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশকে বহু কিছু দিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই বাংলার গৌরব, অস্মিতা, সংস্কৃতি ও শিক্ষার ঐতিহ্যকে যেভাবে মানুষের চোখে, দেশের চোখে, বিশ্বের চোখে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে তা সত্যিই বেদনাদায়ক।' বলাই বাহুল্য, তিনি নাম না করলেও এটি যে প্রাক্তন সরকারকে উদ্দেশ্য করেই লেখা সেটা স্পষ্ট। এরপরই সুপারস্টার ভরসার বাণী শোনালেন মোদী গ্যারেন্টি নিয়ে।
জিৎ তাঁর পোস্টে লেখেন, 'আমি আশা করি ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার বাংলায় এক নতুন সকাল, এক নতুন আলোর দিশা নিয়ে আসবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মোদীর গ্যারেন্টির সেই কথা ওপর আজ কোটি কোটি মানুষের আশা ও বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। আশা করি, আমাদের প্রিয় বাংলা আবার সোনার বাংলা হয়ে উঠবে। তার হারিয়ে যাওয়া গৌরব পুনুরুদ্ধার করবে।'
প্রসঙ্গত, গত ৯ মে ব্রিগ্রেডের মাঠে হওয়া শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে জিতের পাশাপাশি হাজির ছিলেন পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, মমতা শঙ্কর, প্রমুখ।
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, জিৎকে আগামীতে 'কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত' ছবিতে দেখা যাবে। এই ছবিতে তিনি অনন্ত লাল সিংহের ভূমিকায় অভিনয় করবেন। ইতিমধ্যেই ছবির প্রথম ঝলক মুক্তি পেয়েছে। সেখানে জিৎকে অনন্ত লাল সিংহের সাজে একাধিক রূপ ও বেশে দেখা গিয়েছে। ছবিটির পরিচালনা করেছেন পথিকৃৎ বসু।















