তাঁর সহ-অভিনেতারা মানুষের পাশে দাঁড়াতে রাজনীতিতে নাম লেখাচ্ছেন। মানবাধিকার কমিশন তাঁকে যেচে সেই সুযোগ করে দিল। শ্রীলেখা মিত্র এবার দেশের মানবাধিকার কাউন্সিলের জাতীয় মুখপাত্র। আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করতেই গলায় তৃপ্তির ছোঁয়া। বললেন, ‘‘শুনেছি, আমার গতিবিধি, কাজকর্ম নাকি সংস্থা খুঁটিয়ে নজরে রেখেছে। সেই থেকেই হয়তো ওদের মনে হয়েছে, আমি যোগ্য ব্যক্তি। তাই আমায় বিশেষ পদ দেওয়া হয়েছে।’’ সে কথা তিনি সামাজিক পাতাতে লিখেওছেন। তাঁর বার্তা, ‘আমি জানি, আমি এই সম্মান পাওয়ার যোগ্য।’
দেশের মানবাধিকার কাউন্সিলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কী কী দায়িত্ব শ্রীলেখার কাঁধে?
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, শনিবার সবে হাতে শংসাপত্র পেয়েছেন। রবিবার প্রকাশ্যে এনেছেন সে খবর। এখনও জানেন না, কী কী দায়িত্ব দেওয়া হবে তাঁকে। তবে যে দায়িত্বই দেওয়া হোক তিনি তা মাথা পেতে নেবেন। এবং নিখুঁত ভাবে পালন করতে চেষ্টা করবেন। শ্রীলেখার কথায়, ‘‘সম্ভবত পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্যই কাজ করব। যাঁরা আজীবন সমস্ত সুযোগসুবিধে থেকে বঞ্চিত।’’ শ্রীলেখার সহ-অভিনেতারা এখন মানুষের কাজ করবেন বলে রাজনৈতিক মঞ্চে ওঠেন। নির্বাচনের প্রার্থী হন। তিনি এসব না করেই এই সম্মানের অধিকারী। ইন্ডাস্ট্রি কী বলছে? শ্রীলেখাকে প্রশ্ন করতেই তাঁর সপাট জবাব, ‘‘এই কথা আমার অনুরাগীরাও বলছেন। সত্যি করে বলুন তো, আমি কি আদৌ বাংলা বিনোদন দুনিয়ার কেউ? ইন্ডাস্ট্রির আচরণ তো তেমনটা বোঝায় না। ফলে, আমার কোনও কিছুতেই টলিউডের হেলদোল নেই। আমারও কিচ্ছু যায় আসে না।’’
তাঁর আরও যুক্তি, মানুষের কাজ করবেন বলে কোনও দিন রাজনীতিতে জড়াননি। নিজের মতো করে বরাবর কাজ করে গিয়েছে। কারণ, তাঁর ক্ষমতার লোভ নেই। সেই জন্যই হয়তো আজ এত বড় সম্মান তাঁর ঝুলিতে।
দেশের মানবাধিকার কাউন্সিলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কী কী দায়িত্ব শ্রীলেখার কাঁধে?
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, শনিবার সবে হাতে শংসাপত্র পেয়েছেন। রবিবার প্রকাশ্যে এনেছেন সে খবর। এখনও জানেন না, কী কী দায়িত্ব দেওয়া হবে তাঁকে। তবে যে দায়িত্বই দেওয়া হোক তিনি তা মাথা পেতে নেবেন। এবং নিখুঁত ভাবে পালন করতে চেষ্টা করবেন। শ্রীলেখার কথায়, ‘‘সম্ভবত পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্যই কাজ করব। যাঁরা আজীবন সমস্ত সুযোগসুবিধে থেকে বঞ্চিত।’’ শ্রীলেখার সহ-অভিনেতারা এখন মানুষের কাজ করবেন বলে রাজনৈতিক মঞ্চে ওঠেন। নির্বাচনের প্রার্থী হন। তিনি এসব না করেই এই সম্মানের অধিকারী। ইন্ডাস্ট্রি কী বলছে? শ্রীলেখাকে প্রশ্ন করতেই তাঁর সপাট জবাব, ‘‘এই কথা আমার অনুরাগীরাও বলছেন। সত্যি করে বলুন তো, আমি কি আদৌ বাংলা বিনোদন দুনিয়ার কেউ? ইন্ডাস্ট্রির আচরণ তো তেমনটা বোঝায় না। ফলে, আমার কোনও কিছুতেই টলিউডের হেলদোল নেই। আমারও কিচ্ছু যায় আসে না।’’
তাঁর আরও যুক্তি, মানুষের কাজ করবেন বলে কোনও দিন রাজনীতিতে জড়াননি। নিজের মতো করে বরাবর কাজ করে গিয়েছে। কারণ, তাঁর ক্ষমতার লোভ নেই। সেই জন্যই হয়তো আজ এত বড় সম্মান তাঁর ঝুলিতে।
