বর্তমানে বলিউডের প্রথম সারির তারকাদের শুটিং সেটে বিলাসবহুল ভ্যানিটি ভ্যানের ছড়াছড়ি খুবই সাধারণ বিষয়। কিন্তু দুদশক আগে পরিস্থিতি এতটা সহজ ছিল না। এমনকী তখন ছবির মূল নায়ক-নায়িকাদের জন্যও সবসময় আলাদা ভ্যানিটি ভ্যানের ব্যবস্থা থাকত না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কঠিন দিনগুলোর কথাই তুলে ধরলেন অভিনেত্রী ডেইজি শাহ।
ডেইজি জানান, ২০০১ সালের সুপারহিট ছবি ‘রহে না হ্যায় তেরে দিল মে’- এর শুটিংয়ের সময় ছবির নায়িকা দিয়া মির্জাকে এক চরম পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তখন ডেইজি ওই ছবিতে একজন ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার হিসেবে কাজ করছিলেন। ছবির একটি বড় অংশের শুটিং হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়।
সেদিনের স্মৃতি হাতড়ে ডেইজি বলেন, "আউটডোর শুটিংয়ের সময় তখন ভ্যানিটি ভ্যানের কোনও চল ছিল না। আমার স্পষ্ট মনে আছে, একটি গানের শুটিং চলাকালীন পোশাক বদলানোর প্রয়োজন পড়লে ছবির নায়িকা হওয়া সত্ত্বেও দিয়া মির্জাকে কাছের একটি শপিং মলের বাথরুমে যেতে হয়েছিল। শুধু তাই নয়, অনেক সময় রেস্তোরাঁ বা ক্যাফের মাঝখানে বসেই অভিনেতাদের মেকআপ সারতে হতো।"
ডেইজি আরও জানান, ছবির প্রধান তারকাদেরই যখন এই অবস্থা, তখন ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সারদের অবস্থা কেমন ছিল তা সহজেই বোঝা যাচ্ছে। কনকনে ঠান্ডার মধ্যে খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে হতো তাদের। তবে প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দিয়া বা ছবির বাকি কলাকুশলীরা কখনওই কোনও অভিযোগ করেননি, বরং পেশাদারিত্বের সঙ্গেই কাজ শেষ করেছিলেন।
প্রসঙ্গত, আর মাধবন ও দিয়া মির্জা অভিনীত এই রোমান্টিক ছবি ও ছবির গান আজও দর্শকদের মনে এক বিশেষ জায়গা জুড়ে রয়েছে।














