চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। মে মাসের শেষভাগে উধাও স্বস্তির আবহাওয়া। কয়েক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও জ্বালাপোড়া গরম থেকে রেহাই মিলছে না কলকাতায়।
2
11
আজ মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। পাশাপাশি আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ খুব বেশি থাকায়, ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।
3
11
তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকলেও, কলকাতায় এখন 'রিয়েল ফিল' ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। দিনের বেলায় চড়া রোদে বাইরে বেরোলেই হাঁসফাঁস দশা সকলের।
4
11
এই আবহেই কলকাতায় 'হাই হিট ইনডেক্স' নিয়ে সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা। এর জেরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে পারে যে কারও। তাই আগেভাগেই সতর্ক করা হয়েছে।
5
11
'হাই হিট ইনডেক্স' কী? বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, 'হাই হিট ইনডেক্স' হল এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে বাতাসের প্রকৃত তাপমাত্রার সঙ্গে আর্দ্রতা যোগ হয়ে মানুষের শরীরে তার চেয়েও অনেক বেশি গরম অনুভূত হয়।
6
11
'হাই হিট ইনডেক্স'কে 'আপাত তাপমাত্রা' বা 'অনুভূত তাপমাত্রা'ও বলা হয়। এর জেরে কী কী ক্ষতি হতে পারে?
7
11
এক. হিটস্ট্রোক: 'হাই হিট ইনডেক্স'-এ হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে প্রচুর। চড়া রোদে দীর্ঘক্ষণ থাকলে, শরীরের কোশে প্রোটিন কোয়াগুলেশন হয়। এর ফলে দ্রুত বিকল হতে পারে অঙ্গ।
8
11
দুই. হিট এক্সজশন: এই আবহে অতিরিক্ত ঘাম হয়। এর ফলে শরীরে জল-নুনের মাত্রা কমে যায়। ফলে ক্লান্তি, মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোরানো, বুক ধড়ফড় করার মতো উপসর্গ দেখা যায়।
9
11
তিন. হিট ক্র্যাম্পস: অত্যাধিক ঘামের কারণে নুন-জলের মাত্রা কমে যাওয়ায় হাত, পা, পেটের পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণা ও টান অনুভূত হয়।
10
11
চার. ডিহাইড্রেশন: এই আবহে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা কমবেশি সকলের দেখা যায়। কিডনি রোগীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।
11
11
পাঁচ. পেটের রোগ: এই সময় বাইরের খাবার খেলে পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। ডায়রিয়ার আশঙ্কাও থাকে।