নিজস্ব সংবাদদাতা: শীতের সন্ধেয় বিষাদের সুর! প্রয়াত উস্তাদ রাশিদ খান। সংগীত জগতের নক্ষত্রপতন! হয়তো অপূরণীয় ক্ষতি বললেও কম বলা হবে। সংগীত শিল্পী ও মিউজিক কম্পোজার জুটি সৌরেন্দ্র-সৌমজিৎ এর কথায়, " ঈশ্বরের দূত চলে গেলেন "।
আজকাল ডট ইন এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী প্রভাতী মুখোপাধ্যায় বলেন, এই ক্ষতি মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর কথায়, ""শুনেই খুব শরীর খারাপ লাগছে। কী বলবো? কী-ই বা বলার থাকে! (শিল্পীর চোখে জল) আমাকে খুব শ্রদ্ধা করত, সম্মান করত। আমার মনে হয় শাস্ত্রীয় সংগীতে ও সকলের ঊর্ধে। আমি এটা মানি। গত বছরেও একই মঞ্চে গান গেয়েছি। বড় ভাল ছেলে। একটা বড় নক্ষত্র ঝরে পড়ল।""
দিলখোলা মানুষ ছিলেন। যেমন খেতে ভালবাসতেন, তেমন ঘুরতেও। সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের কথায়, ""উস্তাদ রাশিদ খান মঞ্চে গান গাইলে মনে হত যেন ঈশ্বর বসে রয়েছেন। কণ্ঠ দিয়ে, সুর দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করতে এসেছেন। মঞ্চে ওঠার আগে আমরা রাশিদ খানের সুর কানে নিয়ে উঠি। জানি না কেন, এটা আমাদের অভ্যেস। আমাদের জীবনে তিনি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ। সংগীতের মাধ্যমেই ওর সঙ্গে আমাদের আত্মীয়তা।""
শুধু শাস্ত্রীয় সংগীত নয়, মঞ্চে রবীন্দ্রনাথের গান, লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া "রহে না রহে হাম" , কিশোর কুমারের গাওয়া "মেরে ন্যায়না শাওন ভাদো" গেয়েছেন রাশিদ খান। এবং সবগুলোই সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের আবদারে। শিল্পী-সুরকার জুটির কথায়, "আমাদের আবদার শুনে উনি বলেছিলেন, ""আমি গাইবো সৌম্যজিৎ, কিন্তু তুই একটা মাইক নিয়ে আমার পাশে বসবি। দেখিস যদি আমি ভুলে যাচ্ছি , ধরিয়ে দিস। আমি শুধু অবাক শ্রোতা হয়ে ওনার পাশে বসে থেকেছি।""
সৌম্যজিতের মতে, উস্তাদজি একদিকে ভগবানের দূত, অন্যদিকে অভিভাবক। তাই এই মুহূর্তে রবীন্দ্রনাথের গানেই সান্ত্বনা খুঁজেছেন শিল্পী। ""দুঃখের তিমিরে যদি জ্বলে তব মঙ্গল আলোক, তবে তাই হোক""...
তাঁর মঙ্গল আলো যেন জ্বলে চিরকাল। রাশিদ খান চলে যাওয়ার মানুষ নয়। উনি থেকে যাবেন চিরকাল। এটাই শিল্পীদের বিশেষ গুণ। ব্যক্তি রাশিদ খান কষ্ট পাচ্ছিলেন। সেটা থেকে মুক্তি পেলেন। ওঁর কণ্ঠে যেভাবে ঈশ্বর কথা বলেছেন আগামী বহু যুগ ধরে সংগীতের কোনও রসিক বা ছাত্র অনুপ্রাণিত হবেন। কোনও সন্ধের আয়োজনে "ইয়াদ পিয়া কী আয়ে" গাইবার সময় ওঁর উপস্থিতি টের পাবেন।
আজকাল ডট ইন এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী প্রভাতী মুখোপাধ্যায় বলেন, এই ক্ষতি মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর কথায়, ""শুনেই খুব শরীর খারাপ লাগছে। কী বলবো? কী-ই বা বলার থাকে! (শিল্পীর চোখে জল) আমাকে খুব শ্রদ্ধা করত, সম্মান করত। আমার মনে হয় শাস্ত্রীয় সংগীতে ও সকলের ঊর্ধে। আমি এটা মানি। গত বছরেও একই মঞ্চে গান গেয়েছি। বড় ভাল ছেলে। একটা বড় নক্ষত্র ঝরে পড়ল।""
দিলখোলা মানুষ ছিলেন। যেমন খেতে ভালবাসতেন, তেমন ঘুরতেও। সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের কথায়, ""উস্তাদ রাশিদ খান মঞ্চে গান গাইলে মনে হত যেন ঈশ্বর বসে রয়েছেন। কণ্ঠ দিয়ে, সুর দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করতে এসেছেন। মঞ্চে ওঠার আগে আমরা রাশিদ খানের সুর কানে নিয়ে উঠি। জানি না কেন, এটা আমাদের অভ্যেস। আমাদের জীবনে তিনি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ। সংগীতের মাধ্যমেই ওর সঙ্গে আমাদের আত্মীয়তা।""
শুধু শাস্ত্রীয় সংগীত নয়, মঞ্চে রবীন্দ্রনাথের গান, লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া "রহে না রহে হাম" , কিশোর কুমারের গাওয়া "মেরে ন্যায়না শাওন ভাদো" গেয়েছেন রাশিদ খান। এবং সবগুলোই সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিতের আবদারে। শিল্পী-সুরকার জুটির কথায়, "আমাদের আবদার শুনে উনি বলেছিলেন, ""আমি গাইবো সৌম্যজিৎ, কিন্তু তুই একটা মাইক নিয়ে আমার পাশে বসবি। দেখিস যদি আমি ভুলে যাচ্ছি , ধরিয়ে দিস। আমি শুধু অবাক শ্রোতা হয়ে ওনার পাশে বসে থেকেছি।""
সৌম্যজিতের মতে, উস্তাদজি একদিকে ভগবানের দূত, অন্যদিকে অভিভাবক। তাই এই মুহূর্তে রবীন্দ্রনাথের গানেই সান্ত্বনা খুঁজেছেন শিল্পী। ""দুঃখের তিমিরে যদি জ্বলে তব মঙ্গল আলোক, তবে তাই হোক""...
তাঁর মঙ্গল আলো যেন জ্বলে চিরকাল। রাশিদ খান চলে যাওয়ার মানুষ নয়। উনি থেকে যাবেন চিরকাল। এটাই শিল্পীদের বিশেষ গুণ। ব্যক্তি রাশিদ খান কষ্ট পাচ্ছিলেন। সেটা থেকে মুক্তি পেলেন। ওঁর কণ্ঠে যেভাবে ঈশ্বর কথা বলেছেন আগামী বহু যুগ ধরে সংগীতের কোনও রসিক বা ছাত্র অনুপ্রাণিত হবেন। কোনও সন্ধের আয়োজনে "ইয়াদ পিয়া কী আয়ে" গাইবার সময় ওঁর উপস্থিতি টের পাবেন।
















