আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই দলবদলের ‘‌খেলা’‌ শুরু?‌ বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক ও দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি দিলেন তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত।
তৃণমূলের এই বিদায়ী বিধায়ক মঙ্গলবার বলেছেন, ‘‌তৃণমূল অধ্যায় শেষ আমার।’‌ তাঁর অভিযোগ, পাঁচ কোটি টাকা না দেওয়ায় তৃণমূল এবার তাঁকে শিবপুর কেন্দ্রে টিকিট দেয়নি। 


তৃণমূলের এই হারে বিন্দুমাত্র অবাক নন মনোজ। বলেছেন, ‘‌এই বিপর্যয়ে আমি বিন্দুমাত্র অবাক নই। এমনটা হওয়ারই ছিল। একটা দল দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়ে গিয়েছিল। কোনও ক্ষেত্রেই কোনও উন্নয়ন হয়নি।’‌


মনোজের অভিযোগ, ‘‌এবার তৃণমূলের টিকিটে লড়ার জন্য এক একজন পাঁচ কোটি করে দিয়েছেন। আমাকেও বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি দিতে অস্বীকার করেছিলাম। একবার দেখুন তো টাকার বিনিময়ে টিকিট পেয়ে কতজন ভোটে জিতেছেন।’‌


মনোজ বলেছেন, ‘‌তৃণমূলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শেষ।’‌ মনোজ আরও বলেছেন, ‘‌২০১৯ সালে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম। দিদি আমাকে বলেছিলেন। তখন আমি আইপিএল খেলছি। বাংলার হয়েও খেলছিলাম। তৃণমূলে যোগদানের পর ২০২১ সালে ভোটে দাঁড়িয়ে জিতেছিলাম।’‌


প্রসঙ্গত, বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন খেলেছেন মনোজ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দশ হাজারের উপর রান রয়েছে মনোজের। রাজ্যের ক্রীড়া দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন মনোজ। 

এদিকে, বিধানসভা ভোটে হারের পর মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। কালীঘাটে। ছিলেন অভিষেক ব্যানার্জি, ফিরহাদ হাকিম, ডেরেক ও‘‌ব্রায়েন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ ব্যানার্জিরা।


ভবানীপুরে এবার হেরে গিয়েছেন ঘরের মেয়ে। জিতেছেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই জল্পনা এবার কী পদক্ষেপ নেবেন মমতা। তিনি লোকসভা ভোটে লড়বেন?‌ নাকি বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধিতা আরও বাড়াবেন। সেদিকেই ছিল নজর। সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই মমতা জানান, ‘‌একশো আসন জোর করে লুঠ করা হয়েছে। এসআইআর করে ভোটারদের নাম কাটা হয়েছে। এরকম কোনও ভোটে দেখিনি। আমি ভোটে হারিনি। কেন পদত্যাগ করব। আমরা হারিনি, তাই রাজভবন কেন যাব?‌’‌