‘অভিনেত্রী বনাম অভিনেত্রী’ লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসবে রূপা গাঙ্গুলি? তবে কি সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভায় ফুটবে পদ্মফুল? তৃণমূলের লাভলি মৈত্রকে পিছনে ফেলে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী। বিকেল আড়াইটে পর্যন্ত ১৭,৩৭৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন হিন্দি টেলিভিশনের 'দ্রৌপদী'। 

২০১৫ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হন রূপা। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন। ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি রাজ্য বিজেপি মহিলা মোর্চার সভাপতির দায়িত্ব, সব মিলিয়ে তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এই নির্বাচনে বড় ভূমিকা নিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


ছাব্বিশের বিধানসভায় সোনারপুর দক্ষিণের লড়াই শুরু থেকেই নজর কেড়েছিল। একদিকে বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ লাভলি মৈত্র এবং অন্যদিকে, বাংলা সহ জাতীয় চলচ্চিত্র জগতের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।  দুই জনপ্রিয় মুখের সরাসরি মোকাবিলা রাজনীতির পাশাপাশি গ্ল্যামারেরও আলাদা মাত্রা যোগ করেছিল। 


যদিও বিধানসভা নির্বাচনের ময়দানে রূপার পথ খুব একটা মসৃণ ছিল না। ২০১৬ সালে হাওড়া উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজয়ের মুখ দেখেছিলেন তিনি। তবে সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে আরও শক্ত করেছে বলেই মত বিশ্লেষকদের। এবারের নির্বাচনে সেই অতীত ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মতে, এবার বিধায়ক হতে চলেছেন রূপা গাঙ্গুলি।