আজকাল ওয়েবডেস্ক: দু'দিনের রাজ্য সফরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। মঙ্গলবার সকালে কলকাতায় পৌঁছেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
প্রথম দিনেই কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুর জোনের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দ্বিতীয় দফায় কল সেন্টার ও আইটি কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন বলে খবর। এরপর ন্যারেটিভ টিমের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য বিজেপি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন
আগামিকাল বুধবার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে পুজো দিতে যাবেন তিনি। এরপর সল্টলেকের বিজেপি দপ্তরে বৈঠক করবেন। প্রথমে রাজ্য নির্বাচন ম্যানেজমেন্ট কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর যুব মহিলা এসসি, এসটি, ওবিসি নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই রাজ্যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আগামিকাল বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। তারপরেই পাটনার উদ্দেশে রওনা দেবেন বিজেপি সভাপতি।
শহরে যখন উপস্থিত সর্বভারতীয় সভাপতি, প্রার্থী বদলের দাবিতে রাজ্য অফিসে বিক্ষোভ অব্যাহত বিজেপি কর্মীদের। হুগলির বলাগড় বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুমনা সরকারকে অবিলম্বে বদল করতে হবে। এই দাবি নিয়ে মঙ্গলবার সল্টলেক বিজেপি দপ্তরে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকদিন ধরে একই দাবি নিয়ে একাধিক বিধানসভা থেকে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান।
মঙ্গলবার আবারও একই পরিস্থিতি। উল্লেখ্য, রাজ্যে যখন সর্বভারতীয় সভাপতি উপস্থিত সেই সময় বিজেপি দপ্তরে এই বিক্ষোভে কিছুটা অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। এদিন বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের কথাও জানা গিয়েছে। এর আগেও একাধিকবার প্রার্থী বদল নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে সল্টলেকের বিজেপি দপ্তরে।
গত কয়েকদিন ধরে বিজেপি দপ্তরে পরপর একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বদল করা নিয়ে বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়েছে পরিস্থিতি। হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে নেতৃত্বকে। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য বিজেপি।
এদিন যখন সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন কলকাতায় রাজ্য বিজেপি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং সেইসঙ্গে একাধিক সাংগঠনিক বৈঠকও রয়েছে সেই সময় এই বিক্ষোভে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপি নেতাদের পক্ষ থেকে যারা বিক্ষোভ দেখান তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। যদিও তাঁরা প্রার্থী বদল নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনড়।
