আজকাল ওয়েবডেস্ক: অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার স্ত্রী রিনিকি ভূঞা শর্মার করা এফআইআর-এর প্রেক্ষিতে এবার আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা পবন খেরা। রিনিকি ভূঞার বিরুদ্ধে একাধিক পাসপোর্ট রাখার যে অভিযোগ খেরা তুলেছিলেন, সেই রেশ ধরেই দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে তেলেঙ্গানা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে এই আবেদনটি আদালতের স্ক্রুটিনি বা প্রাথমিক পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন কংগ্রেসের মিডিয়া ও পাবলিসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান পবন খেরা দাবি করেন যে, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী অবৈধভাবে তিনটি পাসপোর্ট বহন করছেন। এই মন্তব্যের পরই গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে খেরার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় (BNS) জালিয়াতি, মানহানি, উস্কানিমূলক মন্তব্য এবং জনসমক্ষে ভুল তথ্য প্রচারের মতো একাধিক গুরুতর ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। এই আইনি লড়াইয়ের মাঝেই মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়ায় যখন অসম পুলিশের একটি দল হায়দরাবাদে পৌঁছায়। জানা গেছে, খেরার সেখানে একটি আবাসন থাকায় পুলিশ তাঁর সন্ধানে সেখানে গিয়েছিল। এর আগে দিল্লিতে খেরার বাসভবনেও তল্লাশি চালায় অসম পুলিশ।

&t=1s

পবন খেরা তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে এবং গ্রেপ্তার করা হলে যেন তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির এই সদস্যের অভিযোগের পাল্টা হিসেবে অসমের মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর পরিবার আক্রমণাত্মক আইনি পথে হেঁটেছেন। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে মিথ্যে তথ্য দেওয়ার মতো যে ধারাগুলি (ধারা ১৭৫) তাঁর বিরুদ্ধে লাগানো হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গেছে। আপাতত হায়দরাবাদ তথা তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে কংগ্রেস শিবির এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজ্য ছাড়িয়ে এই আইনি বিবাদ এখন আন্তঃরাজ্য পুলিশের তৎপরতায় এক জটিল মোড় নিয়েছে।