আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস বনাম নির্বাচন কমিশন। বুধবার সকালে তৃণমূলকে উল্লেখ করে কমিশনের একটি টুইট, শাসকদলের পাল্টা উত্তর। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। ভোটের আগে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনীতির পরিবেশ।
সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা করতে বুধবার সকালে দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়েছিল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, মাত্র সাত মিনিটের বৈঠকের পরে তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে বেরিয়ে যেতে বলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচন সদনের বাইরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই অভিযোগ করেন তৃণমূল সাংসদ।
এরপরেই সরাসরি তৃণমূলকে উল্লেখ করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট কমিশন। সেখানে লেখা হয়, “তৃণমূল কংগ্রেসকে কমিশনের সোজা কথা, এবার পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হবে ভয়-মুক্ত, হিংসা-মুক্ত, ভীতি-মুক্ত, প্রলোভন-মুক্ত, ছাপ্পা-মুক্ত, বুথ জ্যামিং-মুক্ত, সোর্স জ্যামিং-মুক্ত।”
পাল্টা আক্রমণ করেছে তৃণমূল। কমিশনের পোস্টকে উল্লেখ করে রাজ্যের শাসকদল লিখেছে, “আমরাও নির্বাচন কমিশনকে সোজা কথা সোজাভাবেই বলছি। এবারের নির্বাচন হতে হবে, দিল্লির নিয়ন্ত্রণমুক্ত, রাজনৈতিক পক্ষপাতহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে নিশানা করা থেকে মুক্ত এবং অবশ্যই দ্বিচারিতামুক্ত।” তৃণমূলের প্রশ্ন, “একটি নিরপেক্ষ সাংবিধানিক সংস্থার কাছ থেকে কি এমন আচরণই প্রত্যাশিত? সোজা কথা সোজাভাবেই বলছি: মুখোশটা এবার খুলে ফেলুন!”
এই তরজায় তৃণমূল পাশে পেয়েছে অন্যান্য বিরোঝী দলের প্রধানদের। আপ প্রধান কেজরিওয়াল এক্স-এ লিখেছেন, “এখন এটা বলাই বাহুল্য যে নির্বাচন কমিশন বিজেপির কাছ থেকে সরাসরি নির্দেশ নিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এটা এখন স্পষ্ট এবং অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অন্ততপক্ষে, এমন ভাষায় টুইট করে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম জনসমক্ষে নষ্ট করবেন না।”
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ লিখেছেন, “কমিশনকে সরিয়ে দিলেই সব নিজে থেকে ঠিক হয়ে যাবে।”
















