মিল্টন সেন, হুগলি: প্রথম আয়োজনেই প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণ রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। প্রত্যাশা ছাপিয়ে গেছে। কয়েকগুণ বেড়েছে প্রতিযোগীদের সংখ্যা। আয়োজক হুগলি জেলা স্পোর্টস এ্যাসোসিয়েশনের প্রত্যাশা ছিল ২০০ প্রতিযোগী জোগাড় করা হয়তো কঠিন হবে। কিন্তু কার্যত হয়েছে তার উল্টোটাই। শুধুমাত্র সমাজ মাধ্যমে প্রচারের মধ্য দিয়েই প্রায় পাঁচশো প্রতিযোগী ইতিমধ্যেই নাম নথিভুক্ত করেছেন।

জেলার প্রত্যন্ত আরামবাগ, গোঘাট, জাঙ্গিপাড়া, বলাগড় সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে অ্যাথলিটরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংস্থার সম্পাদক ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী জানিয়েছেন,জেলা স্পোর্টস এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই প্রথম ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করা হয়েছে।

রবিবার সকালে অনুষ্ঠিত হবে এই দৌড়। তার আগে শুক্রবার দুপুর থেকেই প্রতিযোগীরা আসতে শুরু করেছে। ফলে তাঁদের থাকা খাওয়া ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্য রাজ্য থেকেও অনেক অংশগ্রহণের আবেদন জানালেও সেটা গ্রহণ করা হয়নি। কারণ এই প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র হুগলি জেলার জন্য।

দুটি বিভাগে এই দৌড় অনুষ্ঠিত হবে। চিনসুরা মিনি ম্যারাথন হবে ১০ কিলোমিটারের। একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে তিন কিলোমিটারের চিনসুরা ফান রান। দশ কিলোমিটার ম্যারাথনে নগদ পুরস্কারের পাশাপাশি শংসাপত্র এবং মেডেল দেওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। একইভাবে ফান রানের ক্ষেত্রেও পুরস্কার শংসাপত্র থাকছে।

&t=1481s

সংস্থার সহ সভাপতি অভিজিৎ বিশ্বাস জানিয়েছেন, ফুটবল ক্রিকেটের বাইরেও ম্যারাথনের প্রতি মানুষের ঝোঁক লক্ষ্য করে তিনি অবাক হয়েছেন। প্রথম বছর এই দৌড়ের নাম দেওয়া হয়েছে "রান ফর ইউনিটি", অর্থাত ঐক্যের স্বার্থে দৌড়। এতদিন জেলার অ্যাথলিটরা জেলার বাইরে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, কারণ জেলায় এই প্রতিযোগিতা হত না। এবার থেকে প্রত্যেক বছর এই দৌড়ের আয়োজন করা হবে এবং আরও বড় আকারে।