আজকাল ওয়েবডেস্ক: পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল পান্ডুয়ার শিখিরা চাপ্তা গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলে গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জয় সরদার নামে এক ব্যক্তি পান্ডুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তার অভিযোগ গত সোমবার রাতে তার দিদি ঝর্ণা সরদারকে গলা টিপে হত্যা করে চম্পট দেয় দীনবন্ধু মালিক নামে এক ব্যক্তি।
পুলিশ জানায় ঝর্ণা সরদার নামে বছর ৪৪ এর ওই মহিলার বেড়েলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ি ছিল। তবে তার শ্বশুরবাড়ি লোকজন বা স্বামীর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিলনা দীর্ঘদিন। মেমারি থানার বেনাপুর এলাকার দীনবন্ধু মালিক নামে বছর ৪৭ এর এক ব্যক্তির সঙ্গে ওই মহিলার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। মহিলার বাপের বাড়ি বেলে গ্রামে। মহিলার বাবা-মা মৃত। পাশেই থাকে তার ভাই সঞ্জয় সরদার তার পরিবার নিয়ে। ঝর্ণা তার বাপের বাড়িতে একাই থাকতেন। সেখানে যাতায়াত ছিল প্রেমিক দীনবন্ধু মালিকের।
গত সোমবার রাতে দীনবন্ধু মালিক ঝর্ণার সঙ্গে ওই বাড়িতেই ছিলেন। বেলা গড়াতে ঝর্না ঘুম থেকে ওঠেনি দেখে প্রতিবেশীরা খোঁজ নিতে গিয়ে দেখে অচৈতন্য অবস্থায় বিছানার উপর পড়ে আছে। তরি ঘরি খবর দেওয়য় হয় পুলিশে। পান্ডুয়া থানার পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে পান্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পান্ডুয়া থানার পুলিশ মৃতদেহ নিয়ে চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য। মৃত ঝর্ণা সরদারের ভাই সঞ্জয় সরদার পান্ডুয়া থানা লিখিত অভিযোগ জানালে গতকাল সন্ধায় মেমারি এলাকা থেকে অভিযুক্ত দীনবন্ধু মালিককে গ্রেপ্তার করে পান্ডুয়া থানার পুলিশ। ঘটনা তদন্তের জন্য ৭ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে ধৃত কে আজ চুঁচুড়া আদালতে পাঠায় পান্ডুয়া থানার পুলিশ। পুলিশ প্রাথমিক ভাবে জানতে পারে,দুজন একসঙ্গে লিভ-ইন পার্টনার হিসাবে থাকতেন।সম্পর্কের টানাপোড়েনের ফলে এই ঘটনা।তবে অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।















