আজকাল ওয়েবডেস্ক: বড় মেয়ের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকের অশান্তি। তার জেরেই খুন হতে হয়েছিল বালির গৃহবধূ দীপা দাসকে। নৃশংসভাবে খুন হওয়া দীপার দেহ হাওড়ার বালিতে তাঁর ঘরের মধ্যেই পড়ে ছিল। অনুসন্ধান চালিয়ে অবশেষে খুনে অভিযুক্ত মনতোষ মণ্ডলকে সুন্দরবন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করল হাওড়া কমিশনারেটের পুলিশ। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত বাংলাদেশ পালিয়ে যাওয়ার ছক কষে ছিল।
গত ১৬ অক্টোবর বালির ধর্মতলা রোডে অক্ষয় পাল নামে এক ব্যক্তি ঘরে ঢুকে দেখেন মেঝেতে তাঁর স্ত্রী দীপা পড়ে আছেন। গোটা ঘর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। স্থানীয় বালি থানার পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে দেখে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে ওই গৃহবধূকে। অক্ষয় জানায় এর আগে দীপা হুগলিতে আরেকজনকে বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁর প্রথম পক্ষের তিনটি মেয়ে আছে।
তদন্তে উঠে আসে প্রথম পক্ষের বড় মেয়ের সঙ্গে তাঁর প্রেমিক মনতোষের গোলমাল চলছিল। এলাকায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মনতোষকে দেখতে পেয়েই তৎপর হয় পুলিশ। যে ঘরে খুনের ঘটনা ঘটেছিল সেই ঘরেও তার উপস্থিতি সম্পর্কে প্রমাণ পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় খুনের সঙ্গে মনতোষের যোগাযোগ আছে। নিউটাউনে মনতোষের বাড়িতে তার খোঁজ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সূত্র মারফত মনতোষের মোবাইল ফোনের ওপর নজর রেখে পুলিশ জানতে পারে সে এই মুহূর্তে রয়েছে বারুইপুর পুলিশ জেলার কোস্টাল থানা এলাকায়। এরপরেই হাওড়া (সদর) পুলিশের একটি দল হানা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে শনিবার আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
গত ১৬ অক্টোবর বালির ধর্মতলা রোডে অক্ষয় পাল নামে এক ব্যক্তি ঘরে ঢুকে দেখেন মেঝেতে তাঁর স্ত্রী দীপা পড়ে আছেন। গোটা ঘর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। স্থানীয় বালি থানার পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে দেখে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে ওই গৃহবধূকে। অক্ষয় জানায় এর আগে দীপা হুগলিতে আরেকজনকে বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁর প্রথম পক্ষের তিনটি মেয়ে আছে।
তদন্তে উঠে আসে প্রথম পক্ষের বড় মেয়ের সঙ্গে তাঁর প্রেমিক মনতোষের গোলমাল চলছিল। এলাকায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মনতোষকে দেখতে পেয়েই তৎপর হয় পুলিশ। যে ঘরে খুনের ঘটনা ঘটেছিল সেই ঘরেও তার উপস্থিতি সম্পর্কে প্রমাণ পেয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় খুনের সঙ্গে মনতোষের যোগাযোগ আছে। নিউটাউনে মনতোষের বাড়িতে তার খোঁজ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সূত্র মারফত মনতোষের মোবাইল ফোনের ওপর নজর রেখে পুলিশ জানতে পারে সে এই মুহূর্তে রয়েছে বারুইপুর পুলিশ জেলার কোস্টাল থানা এলাকায়। এরপরেই হাওড়া (সদর) পুলিশের একটি দল হানা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে শনিবার আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
















