আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোট ঘোষণার পর কোচবিহারে নিজের প্রথম জনসভা থেকে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি মালদায় বিচারকদের ওপর আক্রমণের ঘটনা নিয়ে একহাত নিলেন। এদিন তিনি বলেন, ‘এখানকার সরকার বাংলার মাটিতে গণতন্ত্র রক্তাক্ত। এরা কাউকে মানে না। কীভাবে মালদায় বিচারকদের বন্দি করে রাখা হল? এটা কেমন সরকার? এখানে সংবিধান প্রক্রিয়া সুরক্ষিত নয়। বাংলার জনতার সুরক্ষা কীভাবে হবে? মালদায় যা হল তৃণমূলের মহা জঙ্গলরাজের প্রমাণ মিলেছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতও এবিষয়ে ধিক্কার জানিয়েছে। তৃণমূল কোনও বিচার মানে না।‘
এখানেই থেমে না থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত বছর ধরে বাংলার মানুষের পয়সা লুঠ করা হয়েছে। সকল দুর্নীতিবাজদের এই টাকা ফেরত দিতে হবে। ব্রিগেড থেকে বাংলার পরিবর্তনের সূচনা করেছিলাম। মানুষের সেই ভিড়ে তৃণমূলের সিন্ডিকেট ঘাবড়ে গিয়েছে। ব্রিগেডের বিউগল কোচবিহারে আরও বেশি হয়েছে। টিএমসির পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। বাংলায় এখন একটাই আওয়াজ। পাল্টানো দরকার। এটাই নতুন বাংলার দিশা। বিজেপি এখানে সরকার গড়বে।’
রাজ্যে তৃণমূলের সিন্ডিকেট নিয়ে নিয়েও এদিন সরব ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এবার বাংলায় একদিকে তৃণমূলের ভয় রয়েছে অন্যদিকে মোকাবিলা করার জন্য বিজেপির ভরসা রয়েছে। একদিকে তৃণমূলের কাটমানি রয়েছে অন্যদিকে বিজেপির বিকাশের ভরসা। একদিকে অনুপ্রবেশকারী সমস্যা অন্যদিকে সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের সরানোর সংকল্প নিয়েছে বিজেপি। একদিকে সিন্ডিকেট রাজে সম্পত্তি হারানোর ভয় রয়েছে অন্যদিকে রয়েছে বিজেপির উন্নয়ন। একদিকে সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচার অন্যদিকে মহিলাদের অত্যাচার রুখতে মোদির গ্যারান্টি রয়েছে।’
এদিন আইনের ওপর ভরসা রাখার কথা শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। তিনি বলেন, ‘একদিকে বেকারত্ব রয়েছে অন্যদিকে সুশাসন রোজগারের দিশা রয়েছে। ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডারা যতই ভয় দেখাক আপনাকে আইনের সাহায্য নিতে হবে। এবার ভোটে ভয় পালাবে। বিজেপি জিতবে। এবার ভোটের পর তৃণমূলের পাপের হিসেব করা হবে। ৪ মে-র পর আইন নিজের কাজ করবে। বিজেপি বাংলার মানুষের জন্যেই আসরে নেমেছে। মহিলারা এরপর সঠিক বিচার পাবেন। গোটা দেশের মহিলারা বিজেপিকে বেছে নিয়েছে। বিজেপি মহিলাদের পাশে রয়েছে। তবে দেশের উন্নতির ভাগ বাংলায় আসে না। এবার বাংলার উন্নতি হবে।’
&t=2s
রাজ্যে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২ টি কেন্দ্রে নির্বাচন। প্রথম দফা ভোটের আগে এটাই ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সভা। ব্রিগেডে জনসভার পর এবারেই প্রথমবার রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন হাসিমারা থেকে কোচবিহারে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর কোচবিহার রাসমেলার মাঠে বিজয় সংকল্প সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।















