আজকাল ওয়েবডেস্ক: 'বাড়ি ভাঙা পড়ছে' তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির, এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে শেষ কয়েকদিন ধরে। এ বার তাই নিয়েই স্পষ্ট বিবৃতি দিল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের তরফ থেকে এদিন একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, 'বিজেপি কর্তৃক ‘আন-অফিশিয়ালি’ ফাঁস করা কেএমসি (KMC)-র একটি নোটিশ সংক্রান্ত কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং পোস্ট আমাদের নজরে এসেছে। সেখানে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) সাধারণ সম্পাদক তথা মাননীয় সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জির সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে এবং এই ঘটনার সঙ্গে অন্যান্য নেতাদেরও জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে চলা এই নোটিশ এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানানো এবং এর কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।'
সেই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'ন্যূনতম নীতিবোধ এবং বোধশক্তি সম্পন্ন যে কোনও সাংবাদ মাধ্যম বিজেপির ছড়ানো এই আখ্যানটি কেবল প্রচার করার পরিবর্তে, নোটিশে উল্লেখিত ঠিকানাগুলোতে গিয়ে সরাসরি খোঁজ নিতে পারেন অথবা সেখানে দেওয়া নম্বরগুলোতে ফোন করে সত্যতা যাচাই করে নিতে পারেন।' অভিষেক ব্যানার্জির বাসস্থান শান্তিনিকেতনের কিছু অংশ অবৈধ ও সেই অংশ ভাঙা হতে পারে এই খবর রটার পাশাপাশি বলা হয়, আদতে অভিষেক ব্যানার্জির নামে একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই নোটিশে দাবি করা হয়, মোট ১৭টি জায়গায় অভিষেকের নামে বাড়ি, ফ্ল্যাট বা সম্পত্তি রয়েছে। এই মর্মে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরও হয়। কলকাতা পুরসভার অ্যাসেসমেন্ট কালেকশন ডিপার্টমেন্টের সেই নোটিশে একাধিকক্রমে বিভিন্ন সম্পত্তির হদিশ দেওয়া হয়, যেগুলির কতগুলির মালিক অভিষেক নিজে, কতগুলির যৌথভাবে, বা তিনজনে। একটি সম্পত্তিতে জড়িয়ে পড়েছে সায়নী ঘোষের নামও। এই সমস্ত বিষয়টিই অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছে সাখেত গোখলে, সুস্মিতা দেবের মতো তৃণমূলের নেতারা।
তৃণমূলের তরফ থেকে সংবাদমাধ্যমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, 'আমরা সংবাদমাধ্যমের বন্ধুদের এই ধরনের বানানো পোস্ট ও খবর প্রচার না করে সংবেদনশীলতা এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যে কোনও ধরনের মিথ্যা প্রতিবেদন বা বিভ্রান্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনানুযায়ী সংশ্লিষ্ট আদালতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'















