আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্য রাজনীতিতে পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই একাধিক গ্রেপ্তারির খবর শিরোনামে। তৃণমূলের ছোট থেকে বড় মাপের সব নেতাই পুলিশের জালে ধরা পড়ছে। মঙ্গলবার রাতে আটক করা হয় অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীকে। রাজারহাট গোপালপুরের বিদায়ী বিধায়ক অদিতি মুন্সীর স্বামীকে আটক করে পুলিশ। যদিও বুধবার সকালেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে গতকাল গভীর রাতেই অন্য একটি ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ অমিত চক্রবর্তী ওরফে ননীকে।
জানা গিয়েছে, তেঘরিয়া মালঞ্চপাড়া এলাকার ক্রিস টাওয়ারের বাসিন্দা মৃত ক্ষিতীশ হালদারের পুত্র কিশোর হালদার (৫০) একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানান, ৪ মে তাঁকে হুমকি দেন দেবরাজ চক্রবর্তীর ডান হাত অমিত। এমনকি তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টাও করা হয়। ইতিমধ্যেই ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে সমরেশ চক্রবর্তী ওরফে চিন্টু-সহ আরও দুই-তিন জনকে শনাক্ত করেছেন কিশোর। তার ভিত্তিতেই বাগুইহাটি থাকায় ১২৬ (২)-সহ বিএনএস-এর একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে এখনও চলছে তদন্ত।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৪ মে ঘোষণা করা হয় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল। ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিল এবং উদযাপনের সময় প্রায় ৫-৬ জন দুষ্কৃতী সেখানে জড় হন। এর পর অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন কিশোর হালদারকে। এমনকি উদযাপন বন্ধ করার হুমকিও দেওয়া হয় তাঁকে। তাঁর আরও অভিযোগ, দুষ্কৃতিরা সেখানে বাঁশ এবং লাঠি নিয়ে উপস্থিত হয়ে তান্ডব চালায়। মিছিলে যোগদানকারীদের উপর হামলার চেষ্টা করে। এমনকি, কিশোর হালদারের মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করে প্রাণনাশের চেষ্টাও চালায় বলে অভিযোগ।
ওই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী এবং হেমন্ত চৌধুরীকে। বর্তমানে তাঁরা পুলিশ হেফাজতেই রয়েছেন। এ ছাড়া, মঙ্গলবার গভীর রাতে মামলার আরও এক অভিযুক্ত অমিত চক্রবর্তীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দেবরাজ ঘনিষ্ঠ অমিত ওরফে ননীকে বুধবারই আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, আদালতে তাঁকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হবে।















