আজকাল ওয়েবডেস্ক: মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনার তদন্তভার নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ইতিমধ্যেই, তদন্তকারী সংস্থার তরফে এই খুনের ঘটনার তদন্তের জন্য সাতজন আধিকারিককে নিয়ে একটি সিট গঠন করা হয়েছে।

ঘটনায় অন্য রাজ্যের সঙ্গে যোগসূত্র খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন শাখার আধিকারিকদের নিয়ে এই সিট তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। সিবিআইয়ের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই সিট-এর নেতৃত্বে থাকবেন পঙ্কজ কুমার সিং।

তাঁর সঙ্গে দলে রয়েছেন, সুভাষ চন্দ্র কুণ্ডু, অনিল কুমার যাদব, বিকাশ পাঠক, অমিত কুমার, কুলদীপ এবং বিবেক শ্রীবাস্তব। জানা গিয়েছে, কলকাতা জোনের যুগ্ম অধিকর্তার তত্ত্বাবধানে এই স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম কাজ করবে।

তদন্তের প্রয়োজনে কলকাতা শাখা থেকেও অতিরিক্ত আধিকারিক বা কর্মী এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট শাখার প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তাঁরা এই আধিকারিকদের অবিলম্বে রিলিভ করে তাঁরা সিট-এর প্রধান পঙ্কজ কুমার সিংয়ের কাছে রিপোর্ট করেন।

প্রসঙ্গত, চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন ভাড়াটে শার্প শ্যুটারকে। খুনের পর থেকেই ফেরার ছিল এই আততায়ীরা। 

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ঘাতকদের পালানোর পথে ব্যবহার করা গাড়ির 'ফাসট্যাগ' (FASTag) ট্র্যাক করেই তাদের হদিশ পায় পুলিশ। মূলত টোল প্লাজাগুলোতে গাড়ির যাতায়াতের সময় ও লোকেশন থেকেই পরিষ্কার হয়ে যায় অপরাধীদের গতিপথ।

সেই সূত্র ধরেই হানা দিয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে এই তিনজনকে জালে তোলা হয়। এই গ্রেপ্তারির ফলে চন্দ্রনাথ খুনের নেপথ্যে থাকা আসল মোটিভ এবং আর কে বা কারা জড়িত, তা দ্রুত সামনে আসবে বলে মনে করছে পুলিশ।

সূত্র মারফত জানা গেছে, রথ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে থাকা বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) রবিবার উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের দুটি জায়গা থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। তাদের ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হয়েছে।

তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশ এখনও সরকারিভাবে কোনও বয়ান দেয়নি। বিহার-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তের বক্সার থেকে ময়াঙ্ক শর্মা, ভিকি সিং এবং রাজবীর সিং-সহ আরও দু'জনকে আটক করা হয়।