আজকাল ওয়েবডেস্ক: ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন মোহনবাগান রত্ন টুটু বসু। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, তিনি বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তাঁকে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। এই প্রসঙ্গে হাসপাতালের সিইও প্রদীপ চন্দন বলেন, 'কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় টুটু বসুকে। এমার্জেন্সিতে চিকিৎসার পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ক্রিটিক্যাল কেয়ার ওয়ার্ডে। আপাতত তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত তাঁকে দেখছেন।'
জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফোন মারফত টুটু বসুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। খবর পাওয়া মাত্রই হাসপাতালে পৌঁছে খোঁজখবর নেন সদ্য রাজ্যের ক্রীড়া মন্ত্রকের দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। হাসপাতালে গিয়ে টুটু বসুর খোঁজ নিয়েছেন ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবেও।
মোহনবাগান আর টুটু বোস সমার্থক। ক্লাব বিপদে পড়লেই তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অর্থের ঝুলি হাতে। সবেতেই তিনি পথপ্রদর্শক। হাল আমলে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে গাটছড়া বাধাঁতেও তিনি পথ দেখান ক্লাবকে।
সঞ্জীব গোয়েঙ্কার হাতে ফুটবল দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার পরে আকাশছোঁয়া সাফল্য সবুজ-মেরুনের। বিদেশি প্লেয়ার সই করানো থেকে শুরু করে ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি, সবেতেই টুটু বোস আধুনিক।
গত বছর মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হয় টুটু বসুকে। মোহনবাগান রত্ন' কাকে প্রদান করা হবে, তা নিয়ে ঝড় উঠতে পারে কর্মসমিতির বৈঠকে, এরকম একটা কথা শোনা যাচ্ছিল ময়দানে। কেউ বলছিলেন কম্পটন দত্ত হতে পারেন এবারের 'মোহনবাগান রত্ন'।
আবার কেউ বলছিলেন, মানস ভট্টাচার্য ও বিদেশ বসুকে দেওয়া হতে পারে 'মোহনবাগান রত্ন'। আবার এরকমও শোনা যাচ্ছিল, টুটু বোস ও অঞ্জন মিত্রকে মোহন-রত্ন সম্মানে ভূষিত করা হলে কোনও পক্ষেরই অসন্তোষ হবে না। মোহনবাগান প্রেসিডেন্ট দেবাশিস দত্ত স্বয়ং 'মোহনবাগান রত্ন' হিসেবে ঘোষণা করে দিলেন টুটু বোসের নাম।
তিনি ক্লাবের প্রাণপুরুষ। মোহনবাগানে গত বছর নির্বাচনের আগে তিনি প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তবে টুটু বোসের মতো ব্যক্তিত্বকে কি কেবল মোহনবাগানের পদ আর চেয়ারের মধ্যে আটকে রাখা সম্ভব? তিনিই তো আসল রত্ন মোহনবাগানের।
















