মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Space Station: মহাকাশে স্পেস স্টেশন বানাচ্ছে ভারত

Rajat Bose | ০৪ মার্চ ২০২৪ ২০ : ২৭


‌‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আমেরিকা,রাশিয়া ও চিনের পর মহাকাশে নিজেদের স্পেস স্টেশন তৈরি করতে চায় ভারত। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ২০৩৫ সালের মধ্যেই স্পেস স্টেশনটিকে মহাকাশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। প্রস্তুতি পর্ব শুরু।
 ভারতের নিজস্ব স্পেস স্টেশনে কী ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে তা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। ২০৩৫ সালের মধ্যে স্পেস স্টেশন কার্যকর হতে পারে বলে আশ্বাসও দিয়েছেন ইসরোর প্রধান। এই স্পেস স্টেশনটিকে নিম্নকক্ষপথে অবস্থান করানো হবে। নাম রাখা হবে ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’। স্পেস স্টেশনের ভিতরে দুই থেকে চার জন মহাকাশচারী থাকার ব্যবস্থা করা হবে। 
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিরুঅনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের ডিরেক্টর উন্নিকৃষ্ণণ নায়ার জানান, ভারতের অন্যতম ভারী রকেট ‘বাহুবলী’ এবং লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩ (এলভিএম ৩)-এর মাধ্যমে স্পেস স্টেশনের অংশগুলি মহাকাশে পাঠানো হবে। পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় যে কক্ষপথ রয়েছে সেখানে স্থান পাবে ভারতের স্পেস স্টেশন। মহাকাশে ‘অ্যাস্ট্রোবায়োলজি’ এবং ‘মাইক্রোগ্র্যাভিটি’ সংক্রান্ত নানা রকম গবেষণা করা হবে এই স্পেস স্টেশনে। পৃথিবীর মতোই তার উপগ্রহ চাঁদ বসবাসযোগ্য কি না, তা নিয়েও গবেষণা চলবে স্পেস স্টেশনে।
 এই স্পেস স্টেশনের ওজন ২০ হাজার কিলোগ্রাম থেকে চার লক্ষ কিলোগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হয়েছে। স্পেস স্টেশনের জন্য উন্নত মানের ডকিং পোর্টও নির্মাণ করবে ইসরো। আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য একটি বিশেষ ডকিং পোর্টও তৈরি করা হবে। চারটি মডিউল এবং অন্তত চার জোড়া সোলার প্যানেল থাকতে পারে স্পেস স্টেশনে।
 স্পেস স্টেশনের মূল মডিউলে এমন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে যা অক্সিজেন প্রস্তুতির পাশাপাশি কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনের জন্যও সক্ষম হবে। এমনকি এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ন্যূনতম আপেক্ষিক আর্দ্রতা বজায় রাখাও সম্ভব হবে।





বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া