আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাম্প্রতিক কালে একাধিক কর্মীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। বারবার সামনে উঠে এসেছে বেসরকারি সংস্থায় কর্মীদের উপর কাজের চাপ। ফের বেঙ্গালুরুর তথ্য প্রযুক্তি কর্মীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় সংস্থা। সহকর্মীদের বক্তব্যে তেমনটাই উঠে আসছে বলে খবর সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে।
নিখিল সোমবংশী। বয়স ২৫। বেঙ্গালুরুর তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা ক্রুটিমে কর্মরত ছিলেন নিখিল। মে মাসের গোড়ার দিকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান ছিল, আত্মহত্যা করেছেন নিখিল, কিন্তু কারণ কী?
৮ মে নিখিলের দেহ উদ্ধার হয় হ্রদ থেকে। তার সপ্তাহ দুই পরে, সোশ্যাল মিডিয়ায় যা অভিযোগ উঠেছে, তাতে কাঠগড়ায় অফিসের ‘টক্সিক ওয়ার্ক কালচার’।
সোমবংশী বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করার পর ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ওলার মালিকানাধীন একটি এআই কোম্পানি ক্রুটিমে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, ওই অফিসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ নয়া কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন, গালিগালাজ দেওয়া হত অকথ্য ভাষায়। দিনে দিনে বাড়ানো হয় কাজের চাপ। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ওই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় ছুটিতে ছিলেন নিখিল। জানানো হয়েছে, তিনি ৮ এপ্রিল তাঁর ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, জানিয়েছিলেন যে তাঁর বিশ্রামের প্রয়োজন, এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে ব্যক্তিগত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। পরে, ১৭ এপ্রিল, তিনি জানান যে তিনি সুস্থ বোধ করছেন, তার পরেও বিশ্রামের প্রয়োজন বলে ছুটি বাড়ানো হয়।















