আজকাল ওয়েবডেস্ক: বড়দিনের আগে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এবার ইস্যু ব্রিগেডে গীতাপাঠের কর্মসূচি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গীতাপাঠ সফল। কিন্তু তৃণমূলের দাবি, অনুষ্ঠানে সেভাবে লোক সমাগম হয়নি। আবার এইদিনেই বিড়লা তারামন্ডলের সামনে বাম-কংগ্রেসের তরফে সংবিধান পাঠের একটি কর্মসূচি নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি না আসতে পারলেও আয়োজকদের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন তিনি। যদিও অনুষ্ঠানকে সফল করতে এদিন ব্রিগেডে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির প্রায় সমস্তই শীর্ষস্থানীয় নেতারা। যারা এই অনুষ্ঠানকে সফল বলেই দাবি করেছেন। উপস্থিত দ্বারকার শঙ্করাচার্য বলেন, বাংলায় বিভাজনের ষড়যন্ত্র চলছে। সকলকে এক হতে হবে।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, "গীতাকে আমরা সকলেই সম্মান করি। কিন্তু এই লোক দেখানো নাটকের কোনও মানে হয় না। লোক হবে না বলেই প্রধানমন্ত্রী নিজে আসেননি।" সেইসঙ্গে বিজেপির প্রতি তাঁর কটাক্ষ, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের রাজনীতি করতে না পেরেই বিজেপিকে ধর্মের হাত ধরতে হয়েছে। ৩৭৫০ জনের এই গীতাপাঠের জন্য শ্রদ্ধানন্দ পার্ক নিলেই মিটে যেত। ব্রিগেডের প্রয়োজন ছিল না।
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, "এদেশে মন্দির, মসজিদ এবং গীর্জা সমস্তই আছে। সবকিছুকেই শ্রদ্ধা করা হয়। কিন্তু তাতে বেকারত্বের সমাধান হয় না। সেজন্য এটা নিয়ে রাজনীতি করাও চলে না।" বিরোধীদের সমালোচনার উত্তরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং বামেরা ভারতীয় সংস্কৃতি কী সেটা বোঝে না বা মানে না। ফলে তারা বিরোধ করবে সেটা তো স্বাভাবিক।"
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি না আসতে পারলেও আয়োজকদের শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন তিনি। যদিও অনুষ্ঠানকে সফল করতে এদিন ব্রিগেডে হাজির ছিলেন রাজ্য বিজেপির প্রায় সমস্তই শীর্ষস্থানীয় নেতারা। যারা এই অনুষ্ঠানকে সফল বলেই দাবি করেছেন। উপস্থিত দ্বারকার শঙ্করাচার্য বলেন, বাংলায় বিভাজনের ষড়যন্ত্র চলছে। সকলকে এক হতে হবে।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, "গীতাকে আমরা সকলেই সম্মান করি। কিন্তু এই লোক দেখানো নাটকের কোনও মানে হয় না। লোক হবে না বলেই প্রধানমন্ত্রী নিজে আসেননি।" সেইসঙ্গে বিজেপির প্রতি তাঁর কটাক্ষ, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের রাজনীতি করতে না পেরেই বিজেপিকে ধর্মের হাত ধরতে হয়েছে। ৩৭৫০ জনের এই গীতাপাঠের জন্য শ্রদ্ধানন্দ পার্ক নিলেই মিটে যেত। ব্রিগেডের প্রয়োজন ছিল না।
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, "এদেশে মন্দির, মসজিদ এবং গীর্জা সমস্তই আছে। সবকিছুকেই শ্রদ্ধা করা হয়। কিন্তু তাতে বেকারত্বের সমাধান হয় না। সেজন্য এটা নিয়ে রাজনীতি করাও চলে না।" বিরোধীদের সমালোচনার উত্তরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং বামেরা ভারতীয় সংস্কৃতি কী সেটা বোঝে না বা মানে না। ফলে তারা বিরোধ করবে সেটা তো স্বাভাবিক।"
















