‘মানুষকে রোজ রোজ কতটা বানাবে বোকা, আমি খালি বসে বসে ভাবছি ওটাই’...
বুধবার সন্ধেয় লেকটাউনের গান রেকর্ডিং স্টুডিওয় এই ক’টি কথা সুরে সুরে ভেসেছে। যে কথায় নয়ের দশকের নস্টালজিয়া ভরপুর। বাকি পংক্তি একুশ শতকের পরিবর্তিত সমাজের পিঠে কষে ব্যঙ্গের চাবুক কষিয়েছে। দেবদীপ মুখোপাধ্যায়ের কথায়, সুরে এই গান গেয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। পরিচালক সৌরভ পালোধির আগামী ছবি ‘অঙ্ক কী কঠিন’ ছবির গান এটি। প্রযোজনায় দাগ ক্রিয়েটিভ মিডিয়া। আজকাল ডট ইনকে পরিচালক জানিয়েছেন, কঠিন অঙ্ক সহজ করতেই ডাক পড়েছেন ‘আগুনপাখির’!
এর আগে ‘সেদিন চৈত্রমাস’, ‘বং কানেকশন’, ‘আবার আসব ফিরে’, ‘চলো লেট’স গো’-সহ একমুঠো বাংলা ছবিতে গেয়েছেন নচিকেতা। বুধবার গাওয়ার পরে তিনি আপ্লুত, জানিয়েছেন সুরকার। দেবদীপের কথায়, ‘‘আমার কথায়, সুরে নচিদা গাইলেন। এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কী? দাদার গলা এখনও আগের মতোই আগুন ঝরানো। হাল্কা হাস্কি ভয়েজে গেয়েছেন। তার অদ্ভুত আবেদন। রেকর্ডিংয়ের পরে আমার দেওয়া সুর আর গানের কথার খুব প্রশংসা করেছেন। জানিয়েছেন, আগামীতে আমার কথায়-সুরে গাইবেন।’’ ছবিতে মোট চারটি গান। একটি গিটার সহযোগে এদিন সন্ধেয় রেকর্ডিং করেন জীবনমুখী গায়ক। একটি থাকবে ছবির শিশুশিল্পীদের দিয়ে র্যাপ। আর দু’টি গানের একটি গেয়েছেন দেবদীপ নিজে। ছবি ছাড়াও গানগুলো আলাদা ভাবে অ্যালবাম আকারে প্রকাশিত হবে।
দাগ ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার ছবি মানেই গানের উপর বাড়তি মনোযোগ। সৌরভের কথায়, ‘‘এবারেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। সেই জন্যই নচিকেতা চক্রবর্তীকে দিয়ে একটি গাওয়ানো হল। ওঁর গান দিয়ে ছবিতে ন’য়ের দশক ফিরবে। তুলে ধরবে সমাজের অবক্ষয়।’’ জীবনের অঙ্ক খুব কঠিন। সম্পর্ক ভাঙাগড়া অঙ্ক আরও কঠিন। সমাজের তৈরি করে দেওয়া প্রতি পদক্ষেপের অঙ্ক মেলাতে গিয়ে হিমশিম খায় আট থেকে আশি। এই ছবি তাদের উপরে তৈরি। সৌরভ জানিয়েছেন, তিন শিশুর জীবন দিয়ে দেখানো হবে আজকের বাস্তব জীবন। তারা থাকে কলকাতায়। অথচ, তাদের আস্তানা থেকে তিন কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই আধুনিকতা হারিয়ে গিয়েছে দারিদ্র্য, দীন জীবনচর্যায়। নবান্ন থেকে সল্টলেক— শহরের সর্বত্র ঘুরে শুটিং হয়েছে। অভিনয়ে শঙ্কর দেবনাথ, পার্নো মিত্র, ঊষসী চক্রবর্তী, নবাগত প্রসূন সোম এবং একঝাঁক মঞ্চশিল্পী। প্রত্যেকে দীর্ঘদিন মহড়া দিয়ে তারপর ক্যামেরার মুখোমুখি হয়েছেন।
বুধবার সন্ধেয় লেকটাউনের গান রেকর্ডিং স্টুডিওয় এই ক’টি কথা সুরে সুরে ভেসেছে। যে কথায় নয়ের দশকের নস্টালজিয়া ভরপুর। বাকি পংক্তি একুশ শতকের পরিবর্তিত সমাজের পিঠে কষে ব্যঙ্গের চাবুক কষিয়েছে। দেবদীপ মুখোপাধ্যায়ের কথায়, সুরে এই গান গেয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। পরিচালক সৌরভ পালোধির আগামী ছবি ‘অঙ্ক কী কঠিন’ ছবির গান এটি। প্রযোজনায় দাগ ক্রিয়েটিভ মিডিয়া। আজকাল ডট ইনকে পরিচালক জানিয়েছেন, কঠিন অঙ্ক সহজ করতেই ডাক পড়েছেন ‘আগুনপাখির’!
এর আগে ‘সেদিন চৈত্রমাস’, ‘বং কানেকশন’, ‘আবার আসব ফিরে’, ‘চলো লেট’স গো’-সহ একমুঠো বাংলা ছবিতে গেয়েছেন নচিকেতা। বুধবার গাওয়ার পরে তিনি আপ্লুত, জানিয়েছেন সুরকার। দেবদীপের কথায়, ‘‘আমার কথায়, সুরে নচিদা গাইলেন। এর থেকে বড় প্রাপ্তি আর কী? দাদার গলা এখনও আগের মতোই আগুন ঝরানো। হাল্কা হাস্কি ভয়েজে গেয়েছেন। তার অদ্ভুত আবেদন। রেকর্ডিংয়ের পরে আমার দেওয়া সুর আর গানের কথার খুব প্রশংসা করেছেন। জানিয়েছেন, আগামীতে আমার কথায়-সুরে গাইবেন।’’ ছবিতে মোট চারটি গান। একটি গিটার সহযোগে এদিন সন্ধেয় রেকর্ডিং করেন জীবনমুখী গায়ক। একটি থাকবে ছবির শিশুশিল্পীদের দিয়ে র্যাপ। আর দু’টি গানের একটি গেয়েছেন দেবদীপ নিজে। ছবি ছাড়াও গানগুলো আলাদা ভাবে অ্যালবাম আকারে প্রকাশিত হবে।
দাগ ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার ছবি মানেই গানের উপর বাড়তি মনোযোগ। সৌরভের কথায়, ‘‘এবারেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। সেই জন্যই নচিকেতা চক্রবর্তীকে দিয়ে একটি গাওয়ানো হল। ওঁর গান দিয়ে ছবিতে ন’য়ের দশক ফিরবে। তুলে ধরবে সমাজের অবক্ষয়।’’ জীবনের অঙ্ক খুব কঠিন। সম্পর্ক ভাঙাগড়া অঙ্ক আরও কঠিন। সমাজের তৈরি করে দেওয়া প্রতি পদক্ষেপের অঙ্ক মেলাতে গিয়ে হিমশিম খায় আট থেকে আশি। এই ছবি তাদের উপরে তৈরি। সৌরভ জানিয়েছেন, তিন শিশুর জীবন দিয়ে দেখানো হবে আজকের বাস্তব জীবন। তারা থাকে কলকাতায়। অথচ, তাদের আস্তানা থেকে তিন কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই আধুনিকতা হারিয়ে গিয়েছে দারিদ্র্য, দীন জীবনচর্যায়। নবান্ন থেকে সল্টলেক— শহরের সর্বত্র ঘুরে শুটিং হয়েছে। অভিনয়ে শঙ্কর দেবনাথ, পার্নো মিত্র, ঊষসী চক্রবর্তী, নবাগত প্রসূন সোম এবং একঝাঁক মঞ্চশিল্পী। প্রত্যেকে দীর্ঘদিন মহড়া দিয়ে তারপর ক্যামেরার মুখোমুখি হয়েছেন।
















