সংবাদ সংস্থা মুম্বই: বরাবরই পর্দায় পারফরম্যান্সের তারিফ কুড়িয়েছেন অজয় দেবগণ। সম্প্রতি যেমন ‘সিংহম এগেইন’ ছবিতে অজয়কে আরও একবার তাঁর জনপ্রিয় চরিত্র ‘সিংহম’ হিসাবে দেখে উত্তাল দর্শক। ‘সিংহম’ ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে অজয় অভিনীত নানা চরিত্র বেশ জনপ্রিয় হয়েছে দর্শকের মধ্যে। তবে শুধুই ছবির জন্য নয়, ছবি ছাড়াও আরও একাধিক বিষয়ে নেটদুনিয়ার শিরোনামে জায়গা করে নেন এই বলি-তারকা। বিশেষ করে তাঁর একাধিক পণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য।
গুটখার বিজ্ঞাপনে কাজ করার জন্য সমাজমাধ্যমের পাতায় নেটাগরিকদের নিন্দায় মুখে পড়ার পাশাপাশি অজয় দেবগণকে নিয়ে চলে কটাক্ষ। তৈরি হয় এন্তার মিম। অজয়ের বলা সংলাপ “বলো, জুবান কেশরী” বিষয়টি মিম দুনিয়ায় হটকেক। নানা ব্যাঙ্গাত্মক, মজাদার মিম তৈরি করা হয়েছে অজয়কে নিয়ে, গুটখা সংস্থার বিজ্ঞাপনে ওই নির্দিষ্ট সংলাপটি বলার সুবাদে। এই প্রসঙ্গে এত বছরে এই প্রথমবার মুখ খুললেন অজয়। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে অজয়কে জিজ্ঞেস করা হয় তাঁকে নিয়ে 'কেশরী' মিম তৈরির বিষয়ে। একগাল হেসে অজয়ের জবাব, “ঠিক আছে। আমার কোনও সমস্যা নেই ওইসব মিম বিয়ে। আমাকে নিয়ে বানানো সেসব মিম আমার উপর প্রভাব ফেলতে পারে না।”
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14">
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" target="_blank" rel="noopener">
View this post on Instagram
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" target="_blank" rel="noopener">A post shared by Ranveer Allahbadia (@ranveerallahbadia)
সেই সাক্ষাৎকারে অজয়ের পাশে বসেছিলেন তাঁর বন্ধু তথা ‘সিংহম এগেইন’-এর পরিচালক রোহিত শেঠি। তিনি অবশ্য বললেন, “বলো জুবান কেশরী-মার্কা সব মিম তৈরি করা হয়েছিল অজয়কে অপমান করার উদ্দেশ্যেই। কিন্তু এখন যেহেতু নেটপাড়ায় মিম খুব জনপ্রিয়, তাই সেসব মিম নিয়ে লোকজন ব্যঙ্গ করার বদলে হালকা চালে হাসাহাসি করে।”
প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বরে এই গুটখা বিজ্ঞাপনে কাজ করার দরুণ আইনি জটিলতায় ফেঁসেছিলেন অজয়। পাশাপাশি ফেঁসেছিলেন তাঁর সঙ্গে এই একই বিজ্ঞাপনে কাজ করা অন্য দুই তারকা -শাহরুখ খান এবং অক্ষয় কুমার। তাঁদের আইনি নোটিস পাঠানো হল কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের তরফে। একটি অবমাননা আবেদনের জবাবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এলাহাবাদ হাই কোর্টের লখনউ বেঞ্চকে তারকাদের এই নোটিস পাঠানোর কথা জানানো হয়েছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গুটখার ২০২৩-এর আগস্ট মাসে এলাহাবাদ হাই কোর্টে একটি আবেদন জমা দিয়েছিলেন এক আইনজীবী।