আজকাল ওয়েবডেস্ক: এ বার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল অ্যাম্বুল্যান্সের চালকের বিরুদ্ধে। অসুস্থ স্বামী আর ভাইকে নিয়ে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত অশালীন আচরণ করেছে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে।
শুধু শ্লীলতাহানিতেই শেষ নয়। অভিযোগ আরও গুরুতর। মহিলার স্বামীর অক্সিজেন সাপোর্ট খুলে নেন অভিযুক্ত যার জেরে তাঁর মৃত্যুও হয়। মহিলার সঙ্গে থাকা টাকাপয়সা আর ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও কেড়ে নেয় অ্যাম্বুল্যান্স চালক।
লখনউয়ের এক হাসপাতালে আগস্ট মাসে স্বামীকে ভর্তি করেছিলেন নিগৃহীতা মহিলা। টাকা পয়সার টানাটানি থাকায় তিনি তাঁর স্বামীকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য গাজিয়াবাদ থেকে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করেছিলেন। ফেরার পথে অভিযুক্ত চালক তাকে সামনের আসনে বসতে বলেন। তিনি রাজি না হলে চালক ও তাঁর সঙ্গী অভব্য আচরণ করেন বলে অভিযোগ।
এর পরের ঘটনা আরও নৃশংস। মহিলার বয়ান অনুযায়ী, তাঁর স্বামী আর পিছনে বসা ভাই বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করলে চালক স্বামীর অক্সিজেন মাস্ক টান মেরে খুলে ফেলে ওই অসুস্থ মানুষকে অ্যাম্বুল্যান্স থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এরপর ভাইকে কেবিনে বন্ধ করে যৌন নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ।নিগৃহীতার সঙ্গে থাকা ১০ হাজার টাকা এবং মঙ্গলসূত্র ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্ত। এরপর তাদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলে মহিলার ভাই পুলিশে যোগাযোগ করেন। তারা দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করে দিলে নিকটবর্তী গোরক্ষপুর হাসপাতালে নিগৃহীতার স্বামীকে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, অক্সিজেনের ঘাটতি।
নিগৃহীতা পুলিশে গত ৪ সেপ্টেম্বর অভিযোগ জানান। উত্তর লখনউ-এর জেলা প্রশাসক জিতেন্দ্র কুমার সাউ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। দ্রুত দোষীদের ধরা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।















