আজকাল ওয়েবডেস্ক: বহরমপুর থানার পুলিশের তৎপরতায় গণপ্রহারের হাত থেকে রক্ষা পেল দুই ব্যক্তি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চোর সন্দেহে যখন একের পর এক গণপ্রহার এবং তার জেরে মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসছে ঠিক সেই সময় বহরমপুর থানার পুলিশের এই তৎপরতা সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে বহরমপুর থানার অন্তর্গত মেহেদীপুর-ভীমপুর এলাকায়। ইতিমধ্যেই দুই চোরকে গ্রেপ্তার করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে ভীমপুর গ্রামের বাসিন্দা জনৈক সাদ্দাম শেখের বাড়িতে ওই গ্রামেরই বাসিন্দা বাসির শেখ এবং মুনি শেখ চুরি করতে ঢোকে। পেশায় কৃষক সাদ্দামের বাড়িতে বেশ কিছু তিল এবং সর্ষের বস্তা রাখা ছিল। এলাকায় অন্ধকার থাকার সুযোগ নিয়ে ওই দুই ব্যক্তি তিন বস্তা তিল এবং সর্ষে চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল।
জাহিদা বিবি নামে ওই গ্রামের বাসিন্দা এক মহিলা বলেন, 'রাতের অন্ধকারে হঠাৎই আমরা লক্ষ্য করি দু'জন ব্যক্তি কিছু বস্তা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। আমরা চিৎকার চেঁচামেচি করতেই ওই দুই ব্যক্তি বস্তাগুলোকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু গ্রামের যুবকরা তাড়া করে তাদেরকে ধরে ফেলে।'
এরপরেই দুই চোরকে মারধর শুরু করে গ্রামের বাসিন্দারা। তবে বহরমপুর থানার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় ওই গ্রামে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই উদ্ধার করা হয় ওই দুই ব্যক্তিকে। যদিও গ্রামবাসীরা দাবি করেছেন চুরি করতে গিয়ে ধরা পরা দুই ব্যক্তিকে তাঁরা কোনওরকম মারধর করেননি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে ভীমপুর গ্রামের বাসিন্দা জনৈক সাদ্দাম শেখের বাড়িতে ওই গ্রামেরই বাসিন্দা বাসির শেখ এবং মুনি শেখ চুরি করতে ঢোকে। পেশায় কৃষক সাদ্দামের বাড়িতে বেশ কিছু তিল এবং সর্ষের বস্তা রাখা ছিল। এলাকায় অন্ধকার থাকার সুযোগ নিয়ে ওই দুই ব্যক্তি তিন বস্তা তিল এবং সর্ষে চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল।
জাহিদা বিবি নামে ওই গ্রামের বাসিন্দা এক মহিলা বলেন, 'রাতের অন্ধকারে হঠাৎই আমরা লক্ষ্য করি দু'জন ব্যক্তি কিছু বস্তা চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। আমরা চিৎকার চেঁচামেচি করতেই ওই দুই ব্যক্তি বস্তাগুলোকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু গ্রামের যুবকরা তাড়া করে তাদেরকে ধরে ফেলে।'
এরপরেই দুই চোরকে মারধর শুরু করে গ্রামের বাসিন্দারা। তবে বহরমপুর থানার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় ওই গ্রামে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই উদ্ধার করা হয় ওই দুই ব্যক্তিকে। যদিও গ্রামবাসীরা দাবি করেছেন চুরি করতে গিয়ে ধরা পরা দুই ব্যক্তিকে তাঁরা কোনওরকম মারধর করেননি।
















