আজকাল ওয়েবডেস্ক: শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন গনিখানের ভাই আবু হাসেম খান চৌধুরী। বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে রাত সাড়ে ৯টায় মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর মালদায় আসতেই রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
আবু হাসেম খান চৌধুরী গনিখান চৌধুরীর ছোট ভাই। তিনি গনিখানের জীবদ্দশায় কালিয়াচক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। গনিখানের মৃত্যুর পর ২০০৬ সালে আবু হাসেম খান চৌধুরী উপনির্বাচনে মালদা লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়ে সাংসদ হন। তিনি ২০২৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ মালদার সাংসদ ছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি নিজের আসনটি ছেলে ইশা খান চৌধুরীকে ছেড়ে দেন। তিনি ইউপিএ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। বছর দুয়েক ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে দুই মাস ধরে চিকিৎসা চলছিল। বুধবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
এটা ঘটনা, দু’দশক আগে বিধানসভা ভোটের আগে প্রয়াত হয়েছিলেন ডালুর দাদা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবিএ গনিখান চৌধুরী। দিনটি ছিল ২০০৬ সালের ১৪ এপ্রিল। ডালু সে সময় ছিলেন কালিয়াচকের বিধায়ক। দাদার মৃত্যুর পরে উপনির্বাচনে অবিভক্ত মালদা লোকসভা থেকে সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। আসন পুনর্বিন্যাসের পরে ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে মালদা দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে জয়ী হন।
ডালুর আর এক দাদা প্রয়াত আবু নাসের খান চৌধুরী ২০১১ সালে রাজ্যে কংগ্রেস–তৃণমূল জোট সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন। দিদি প্রয়াত রুবি নূর ছিলেন দীর্ঘদিনের কংগ্রেস বিধায়ক। রুবির কন্যা মৌসম বেনজির নূর সুজাপুরের কংগ্রেস বিধায়ক এবং মালদা উত্তরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালে তৃণমূলে যোগ দিলেও সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরে বিধানসভা ভোটে মালতীপুর আসনে প্রার্থী হয়েছেন মৌসম। ডালুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মৃতদেহ মালদায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই হবে শেষকৃত্য।















