আজকাল ওয়েবডেস্ক: হাথরাসে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২১। মৃতদের মধ্যে শতাধিক মহিলা। এখনও ২৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর থেকেই পলাতক স্বঘোষিত ধর্মগুরু 'ভোলে বাবা'। তাঁর সৎসঙ্গে বিপত্তি ঘটলেও, এফআইআরে নেই তাঁর নাম। এফআইআরে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে মুখ্য সেবায়েত দেবপ্রকাশ মধুকরকে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রতিভানপুরের ওই সৎসঙ্গে ৮০ হাজার মানুষের জমায়েতের অনুমতি দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু গতকাল সেই সৎসঙ্গে আড়াই লক্ষ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। মাত্র ৪০ জন পুলিশ কর্মী ছিলেন ঘটনাস্থলে। দুর্ঘটনার জন্য আয়োজকদের গাফিলতিকেই দায়ী করছে প্রশাসন।
হাথরাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল কীভাবে? আহতদের পরিবার জানিয়েছে, 'ভোলে বাবা'র ভাষণ শেষ হওয়ার পর আরতি হয়। তারপর গাড়িতে উঠে পড়েন তিনি। এদিকে 'ভোলে বাবা'র পায়ের ধুলো নেওয়ার তাড়াতে হুড়োহুড়ি শুরু হয় ভক্তদের মধ্যে। ধর্মগুরুর গাড়ির চাকার ধুলো নিতেও ধাক্কাধাক্কি করেন অনেকেই। এদিকে 'ভোলে বাবা'র কাছে যাতে কেউ পৌঁছতে না পারেন, তার জন্য আয়োজকরা লাঠি নিয়ে তেড়ে যান ভক্তদের দিকে। হাঁসফাঁস দশার মধ্যে তখনই পদপিষ্ট হন ভক্তরা।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রতিভানপুরের ওই সৎসঙ্গে ৮০ হাজার মানুষের জমায়েতের অনুমতি দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু গতকাল সেই সৎসঙ্গে আড়াই লক্ষ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। মাত্র ৪০ জন পুলিশ কর্মী ছিলেন ঘটনাস্থলে। দুর্ঘটনার জন্য আয়োজকদের গাফিলতিকেই দায়ী করছে প্রশাসন।
হাথরাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল কীভাবে? আহতদের পরিবার জানিয়েছে, 'ভোলে বাবা'র ভাষণ শেষ হওয়ার পর আরতি হয়। তারপর গাড়িতে উঠে পড়েন তিনি। এদিকে 'ভোলে বাবা'র পায়ের ধুলো নেওয়ার তাড়াতে হুড়োহুড়ি শুরু হয় ভক্তদের মধ্যে। ধর্মগুরুর গাড়ির চাকার ধুলো নিতেও ধাক্কাধাক্কি করেন অনেকেই। এদিকে 'ভোলে বাবা'র কাছে যাতে কেউ পৌঁছতে না পারেন, তার জন্য আয়োজকরা লাঠি নিয়ে তেড়ে যান ভক্তদের দিকে। হাঁসফাঁস দশার মধ্যে তখনই পদপিষ্ট হন ভক্তরা।















